হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় CID হানা! শিরোনামে থাকা IPS-এর বাড়ি-সহ কলকাতা-সল্টলেকের ৫ জায়গায় তল্লাশি
হিসেব বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় CID হানা! শিরোনামে থাকা IPS-এর বাড়ি-সহ কলকাতা-সল্টলেকের ৫ জায়গায় তল্লাশি
আয় বহির্ভূত সম্পত্তির মামলায় (disproportionate asset case) কলকাতা ও সল্টলেকের ৫ জায়গায় সিআইডির (CID) তল্লাশি (search)। এদিন তল্লাশি চালানো হয় ব্যবসায়ী সুদীপ্ত রায় চৌধুরীর এবং আইপিএস (IPS) অফিসার দেবাশিস ধরের (Debashis Dhar) বাড়িতে। জানা গিয়েছে, সুদীপ্ত রায় চৌধুরীর এবং আইপিএস অফিসার দেবাশিস ধরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

প্রথম মামলা দায়ের ব্যারাকপুর কমিশনারেটে
আয় বহির্ভূত সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রথম মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ব্যারাকপুর কমিশনারেটে। যদিও পরে তার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। সেই মামলাতেই এগিন অভিযান চলে শহরের ৫ জায়গায়। এই ৫ জায়গার মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়ী সুদীপ্ত রায় চৌধুরীর বাড়ি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আইপিএস দেবাশিস ধরের বাড়ি ও অফিসে।

বাড়িতে তল্লাশিতে কিছুই পায়নি সিআইডি
ব্যবসায়ী সুদীপ্ত রায় চৌধুরীর আইনজীবী সংবাদ মাধ্যমের সামনে দাবি করেছেন, তাঁর মক্কেলের বাড়িতে তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি। তিনি জানিয়েছেন, ব্যারাকপুর কমিশনারেটের করা মামলায় সুদীপ্ত রায়চৌধুরীর বাড়িতে এদিন তল্লাশি চলে। তল্লাশির পরে সিআইডি বাড়ির কেয়ারটেকারকে সিজার লিস্টের প্রতিলিপি দিয়ে চলে যায়।

গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় শিরোনামে ছিলেন এই আইপিএস
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের সময় শিরোনামে এসেছিলেন আইপিএস দেবাশিস ধর। সেই সময় তিনি কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন। ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটের সময় ওই কোচবিহারের মাথাভাঙা ব্লকের শীতলকুচির জোরপাটকির আমতলি বিদ্যালয়ে গণ্ডগোলে গুলি চালায় সিআরপিএফ। সেই ঘটনায় মারা দিয়েছিলেন ৪ জন। তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। সেই সময় দেবাশিস ধরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। তাঁর মোবাইল ফোনটিও সিজ করা হয়েছিল। বর্তমানে এই আধিকারিককে রাখা হয়েছে কম্পালসরি ওয়েটিং-এ। এই আইপিএস-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সম্পত্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়েছে। দেবাশিস ধর দাবি করেছেন, তিনি সিআইডিকে তদন্তে সবরকমের সহযোগিতা করেছেন।

সুদীপ্ত রায় চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছিল ইডি
২০১৮ সালে ব্যবসায়ী সুদীপ্ত রায়চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। রোজভ্যালিকাণ্ডে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সেই সময় বিপুল পরিমাণ বেনামি সম্পত্তির অভিযোগ উঠেছিল। তদন্তকারী সংস্থার নাম করে ভয় দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছিল সুদীপ্ত রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে। শুধু রোজভ্যালিক কর্নধার গৌতম কুণ্ডুই নয়, অন্তত ১২ টি চিটফান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুদীপ্ত রায় চৌধুরী, এমনটাই অভিযোগ উঠছিল সেই সময়। ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রভাবশালী যোগের অভিযোগ উঠেছিল সেই সময়।












Click it and Unblock the Notifications