বিচারপতি সিনহার স্বামীকে সিআইডি প্রায়ই কেন ডাকছে? প্রশ্ন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের
সিআইডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্ট তো অনেক নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই সব নির্দেশ সিআইডি বা রাজ্য কি মেনে চলে? এই প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলার শুনানি চলছিল। বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাচ্ছে সিআইড। সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বসেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুনানি চলাকালীন এই বক্তব্য ওঠে। আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতি দুর্নীতি মামলায় মন্তব্য বিচারপতির।

এই মামলায় রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার। দুর্নীতির তদন্ত পুলিশের হাতে ছিল। কিন্তু পুলিশ সেই তদন্ত করেনি বলে অভিযোগ। এরপর সিআইডির কাছে তদন্তভার যায়। বেশ কয়েক বছর হয়ে গেলেও তদন্তে কোনও অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ। সিআইডি তেমনভাবে কোনও তদন্ত করেনি। এমনই গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠে এসেছে।
আদালতের নির্দেশের পরেও কেন রাজ্য পুলিশ ও সিআইডি তদন্ত করছে না? সেই সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। রাজ্যে সিবিআই থানা প্রয়োজন। এমন মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। এবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গেল বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীকে জেরা করার প্রসঙ্গ।
বিচারপতি সিনহার স্বামীকে সিআইডি প্রায়ই ডেকে পাঠাচ্ছে অন্য একটি মামলায়। কেন ? এটা কি এতই গুরুত্বপূর্ণ মামলা ? অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে উদ্দেশ করে এমনই মন্তব্য করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্ট তো সিআইডি এবং রাজ্যকে অনেক নির্দেশ দেন। সব নির্দেশ কি রাজ্য বা সিআইডি মেনে চলে ? শুক্রবার অন্য মামলার শুনানির সময় এমনই প্রশ্ন করে বসেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
রাজ্যকে আপনি বিভিন্ন বিব্রতকর অবস্থা থেকে বাঁচাতে পারেন। চেষ্টা করে দেখুন। কিশোর দত্তকে উদ্দেশ করে মন্তব্য বিচারপতি গগঙ্গোপাধ্যায়ের। আলিপুরদুয়ার মহিলা ঋণদান সমবায় সমিতি দুর্নীতি মামলা চলছিল এজলাসে। সেই মামলাতেও কড়া মন্তব্য করেছেন বিচারপতি।
এই মামলায় সিআইডি কিছুই করতে পারেনি বলে সিবিআইকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছিল। এমনইন মন্তব্য বিচারপতির। কিন্তু সেই সিবিআই তদন্তকারীদেরও সাহায্য করছে না রাজ্য পুলিশ - প্রশাসন। এমনই অভিযোগ উঠেছে।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিবিআইকে গাড়ি এবং আট জন পুলিশ আধিকারিক দেবে রাজ্য। উত্তরবঙ্গে অফিস দেওয়ার জন্য দুই মাস সময় চাইল রাজ্য। সেই সময় দিয়েছে আদালত।












Click it and Unblock the Notifications