বাঁধ থেকে জল ছাড়া হতেই ডিভিসি-কে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
এমনিতেই প্রবল বৃষ্টিতে এলাকায় জল বাড়ছে, তার উপর বিভিন্ন নদীর জলও বিপদসীমায় বইছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যারেজগুলি জল ছাড়া শুরু করতেই গেল গেল রব উঠেছে রাজ্যে।
বর্ষার জল পড়তেই চাপান-উতোর শুরু রাজ্য ও ডিভিসি কর্তৃপক্ষের। রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি-র দিকেই আঙুল তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার তিনি বলেন, 'ডিভিসি না জানিয়ে জল ছেড়েছে বলেই রাজ্যে বানভাসি অবস্থা। তবে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। বৃষ্টি কমলেই জলমগ্ন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
চারদিন ধরে নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে রাজ্যে। ফলে জল বেড়েছে সমস্ত নদীরই। এমনিতেই প্রবল বৃষ্টিতে এলাকায় জল বাড়ছে, তার উপর বিভিন্ন নদীর জলও বিপদসীমায় বইছে। এই পরিস্থিতিতে ব্যারেজগুলি জল ছাড়া শুরু করতেই গেল গেল রব উঠেছে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ডিভিসি-র বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।

ডিভিসি মাত্র ৩৩ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। তাতেই চোখ রাঙিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ডিভিসি জল ছাড়লেই বিপদ বাড়ে রাজ্যের। তাহলে ওরা কেন জল ছাড়ার আগে রাজ্যকে জানাবে না? তিনি এদিন জানান, রাজ্যের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়। এখনও সবকিছুই নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে এরপর জল ছাড়লেই বিপত্তি হবে। তাই তিনি সাবধান করে দিয়েছেন ডিভিসিকে। জলমগ্ন এলাকাগুলিতে ত্রাণ পাঠানোর সমস্ত ব্যবস্থা করেছে রাজ্য প্রশাসন।
মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি রওনা হওয়ার আগে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরুর আগে নবান্নর কন্ট্রোল রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের আধিকারিকরা বৈঠক করেন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে। সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও কথা বলেন জেলাশাসকদের সঙ্গে। সেচ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications