এনআইএ তদন্তের নির্দেশ একবালপুর ঘটনায়, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে অনাস্থা রাজ্য পুলিশের সিটে
একবালপুর ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হল। কলকাতা হাইকোর্ট এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের উপরে ছেড়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার সেই মোতাবেক নির্দেশ দিল এনআইএ তদন্তের।
একবালপুর ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হল। কলকাতা হাইকোর্ট এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের উপরে ছেড়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার সেই মোতাবেক নির্দেশ দিল এনআইএ তদন্তের। এর আগে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে সিট গঠন করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটের উপরে প্রথমে আস্থা রাখলেও ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতেই উঠল তদন্তভার।

খাস কলকাতার বুকে একবালপুর-মোমিনপুরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কোন সংস্থা করবে, তার ভার কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ছেড়ে দেল কলকাতা হাইকোর্ট। কয়েকদিন আগে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের রিপোর্ট ও মামলার গুরুত্ব বুঝে এনআইএ তদন্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।
পাশাপাশি মোমিনপুরে অশান্তির ঘটনায় কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়। ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরিস্থিতি ঠিক আছে বলেও দাবি করা হয়। তারপর কেন্দ্রের তরফে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
মোমিনপুরের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট। পুলিশ এনআইএ আইনের ৬ নম্বর ধারা কার্যকর করেছে কি না, তা জানতে চায়। রাজ্য সরকারের আইনজীবীর কাছে জানতে চায়, তারা কতি রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠিয়েছে। যদি না পাঠানো হয়,. তবে অবিলম্বে তা পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে। কলকাতা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে সিটও গঠন করে দেওয়া হয়।
হাইকোর্ট বলেছিল, রাজ্য পুলিশ এখন তদন্ত করছে, ফলে এখনই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তের প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠাবে সিট। কেন্দ্র তারপর সিদ্ধান্ত নিতে পারে এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করবে কি না। সেইমতো এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এনআইএ তদন্তেক নির্দেশ দিল। এর ফলে সিটের পাশাপাশি এনআইএ-ও তদন্ত করবে একবালপুর-মোমিনপুরের ঘটনায়।
রাজ্য সরকারের তরফে আদালতে বলা হয়, মোমিনপুরের ঘটনায় থানা থেকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। ১৫টি তাজা বোমা, ৪টি ক্রুড বোমা ও অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ৫টি এফআইআর করা হয়েছে। হাইকোর্টে তার নির্দেশে জানিয়েছে, তদন্তের কথটা অগ্রগতি হয়েছে, এলাকার কী অবস্থা তা পুঙ্খানুপুঙ্খ জানাতে হবে রিপোর্টে। সেই রিপোর্ট পাঠাতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে।
রাজ্য পুলিশের তরফে জানানো হয়, ধীরে ধীরে শান্ত হচ্ছে এলাকা। ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তার ৬দিন পর এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিল কেন্দ্র। হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছিল। কেন্দ্র রাজ্যের পুলিশের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিল।












Click it and Unblock the Notifications