RG করের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে নিয়ে কিছু তথ্য সিবিআই-এর হাতে, তদন্তকারী সংস্থার র্যাডারে যাঁরা
আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ করে শনিবার সকাল ছটা থেকে সারা দেশে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিকে শুক্রবার এই ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ডেকেছিল সিবিআই। সূত্রের খবর তাঁর সম্পর্কে ইতিমধ্যেই কিছু তথ্য সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে। তা তাঁরা খতিয়ে দেখছেন।
সিবিআই আধিকারিকরা মৃত চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অভিযোগ জানতে চেয়েছেন, পাশাপাশি তাঁরা যদি আরও কোনও তথ্য পান, তা সিবিআই আধিকারিকদের জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে সিবিআই আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই একাধিকবার আরজি কর হাসপাতালের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সিবিআই-এর প্রাথমিক তালিকা
চিকিৎসক ধর্ষণ-খুন মামলায় সিবিআই বড় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মামলা করেছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে। তাঁদের মধ্যে অনেক নাম মৃত চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যরা সিবিআইয়ের কাছে দিয়েছেন। তার মধ্যে থেকে আবার অনেককে ইতিমধ্যেই জেরা করেছে সিবিআই। কাউকে কাউকে আবারও ডাকের ইঙ্গিত মিলেছে।
সিবিআই র্যাডারে যাঁরা
এছাড়াও সিবিআই র্যাডারে রয়েছেন হাসপাতালের রক্ষী থেকে শুরু করে কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মী ও আধিকারিক। পাশাপাশি সিবিআই আধিকারিকরা তদন্ত করতে নেমে প্রাক্তন অধ্যক্ষকে নিয়ে কিছু তথ্য পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মৃত চিকিৎসকের বাবা-মা মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় কয়েকজনের জড়িত থাকার দাবি করেছেন।
সিবিআই গত তিন দিনে দশ জনের বেশি মানুষের বয়ান রেকর্ড করেছে। এর মধ্যে মৃত চিকিৎসকের ববা-মাও রয়েছেন। আর আগামী কয়েক দিনে সিবিআই যাঁদের বয়ান রেকর্ড করবে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মৃত চিকিৎসকের বাবা-মায়ের উল্লেখ করা নামও।
হাসপাতালে বেআইনি কাজ চলছিল কিনা, চললে কারা যুক্ত থাকতে পারেন, তাও সিবিআই খতিয়ে দেখছে বলে সূত্রের খবর।
আদালতে নতুন মামলা সন্দীপের
পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এবার আরও এক নতুন মামলা করলেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। মিডিয়া ট্রায়ালের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে প্রচার বন্ধ হোক, এমন দাবি জানিয়ে নতুন মামলা করেছেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। আদালতে সন্দীপ ঘোষের আইনজীবীর যুক্তি, সংবাদমাধ্যম তাঁর বিরুদ্ধে একতরফা প্রচার করা হচ্ছে। ভুল খবর রটানো হচ্ছে। আর এর জন্য তাঁর সম্মানহানি হচ্ছে, জীবনেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।












Click it and Unblock the Notifications