নারদ কাণ্ডে শাসকদলের ১৩ জন সাংসদ-নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআই-এর
নারদ কাণ্ডে ১৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই। সাংসদ, প্রাক্তন মন্ত্রী-সহ শাসকদলের ১৩ জনের নাম রয়েছে এফআইআর-এ।
কলকাতা, ১৭ এপ্রিল : নারদ কাণ্ডে ১৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই। সাংসদ, প্রাক্তন মন্ত্রী-সহ শাসকদলের ১৩ জনের নাম রয়েছে এফআইআর-এ। দুর্নীতি দমন আইনে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারা যুক্ত করা হয়েছে এই এফআইআর-এ।
টাকা দেওয়া ও নেওয়ার ভিডিও ফুটেজে প্রমাণিত এই ঘটনায় অপরাধ হয়েছে। সেই আঙ্গিকেই এফআইআর। দিল্লি সেন্টার ইউনিট এই তদন্ত চালাবে। কলকাতায় ক্যাম্প করে তদন্ত চালানো হবে। কোনওভাবেই কলকাতার অফিসাররা এই তদন্তে থাকবেন না।

সিবিআই দাবি করেছে, প্রত্যেকটি কেসের ফরেনসিক রিপোর্ট তাদের হাতে চলে এসেছে। যেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে। যে ১৩ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, তাদের একে একে ডাকা হবে সিবিআই দফতরে। জিজ্ঞাসাবাদ করবেন সিবিআই আধিকারিকরা। ফলে শাসকদলের নেতা-সাংসদদের জবাবদিহি করতে হবে, কেন তারা টাকা নিয়েছেন?
এদিনই সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সময়সীমা শেষ হয়ে যায়। ফলে এদিনই কলকাতা হাইকোর্টে নারদকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় হাইকোর্টে। একমাসের এই সময়সীমার মধ্যেও সিবিআই তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার পরই ১৩ জনের নামে এফআইআর দায়ের করা হয়।
হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সিবিআই আইনজীবীরা আবেদন জানাতে পারেন তদন্তের জন্য আরও সময়বৃদ্ধির। কিন্তু প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার পরই এফআইআর করার সিদ্ধান্ত নিল সিবিআই। সিবিআই এঊআর নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে পারবে বলে অভিমত আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের।
উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ নারদ মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। তিনদিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশন দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয় পরদিন। সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিক তদন্তের সময়সীমা বাড়িয়ে একমাস করে দেয়। সেইমতো আজই শেষ হয়েছিল সময়সীমা।












Click it and Unblock the Notifications