এসএসকেএম থেকে বাড়ি ফিরতেই সিবিআই তলব! অনুব্রত মণ্ডলকে শনিবারেই হাজিরার নির্দেশ
এসএসকেএম (sskm) থেকে বাড়ি ফিরতেই সিবিআই (CBI) তলব। এদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে তৃণমূলের (Trinamool Congress) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) সিবিআই-এর তরফে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়
এসএসকেএম (sskm) থেকে বাড়ি ফিরতেই সিবিআই (CBI) তলব। এদিন বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে তৃণমূলের (Trinamool Congress) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) সিবিআই-এর তরফে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গরু পাচার (cow smuggling) মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রের খবর।

ষষ্ঠবার তলব
এনিয়ে ষষ্ঠবার তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করল সিবিআই। তাঁকে বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই-এর অ্যান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চের সামনে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে সিবিআই। সিবিআই সূত্রের খবর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রাথমিকভাবে ৪ জনের দল গঠন করা হয়েছে। এদিন দুদফায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে তৈরি সিবিআই। যার জন্য প্রশ্নপত্রও তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রথমে ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসাররা জেরা করবেন। তারপরে সিনিয়র আধিকারিকরা জেরা করবেন।
শেষবার অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই তলব করেছিল ৬ এপ্রিল। আগের দিন বোলপুর থেকে কলকাতায় আসেন অনুব্রত মণ্ডল। আর ৬ এপ্রিল সকালে সোজা এসএসকেএম-এর উডবার্ন ওয়ার্ডে চলে যান।

এসএসকেএম থেকে শুক্রবার ছাড়া পান অনুব্রত
দীর্ঘ ১৭ দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরে শুক্রবার তিনি ছাড়া পান। তারপরে চিনার পার্কের ফ্ল্যাটে গিয়ে ওঠেন তিনি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত থেকেই তৎপরতা শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। আর এদিন সকালেই অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই অফিসে তলব করে বলা হয়েছে বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে হাজিরা দিতে হবে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার ছাড়া পাওয়ার সময় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চার সপ্তাহ বেড রেস্টে থাকতে হবে। তাঁর দুটি করোনারি আর্টারিতেই ব্লকেজ ধরা পড়েছে। একটি আর্টারিতে ৭০ শতাংশ এবং অন্যটিতে ৬০ শতাংশ ব্লক রয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়াকর খবরে খুশি হয়ে অনুব্রত মণ্ডল চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মিষ্টিমুখ করান।

অভিযুক্তদের মুখে অনুব্রতের নাম
সিবিআই সূত্রে খবর, গরুপাচার কাণ্ডে যেসব অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের অনেকের মুখেই অনুব্রত মণ্ডলের নাম উঠে এসেছে। এমন কী এনামূল হকের এক কর্মী যিনি টাকা লেনদেনের হিসেব রাখতেন তিনিও নাকি জেরায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম করেছেন।

নাম জড়িয়েছে বগটুই কাণ্ডেও
সাম্প্রতিক সময়ে রামপুরহাটের বগটুই গণহত্যায়ও অনুব্রত মণ্ডলের নাম উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রী বগটুই গেলে অভিযুক্তগের বিরুদ্ধে কোন ধারা দিতে হবে, তাও অনুব্রত মণ্ডলকে উল্লেখ করতে দেখা গিয়েছিল। অনুব্রত মণ্ডল বলেছিলেন, বগটুই মামলা যেন সূচপুরের মতো করে সাজানো হয়। এরপরেই বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। প্রসঙ্গত বগটুই গণহত্যার পরেরদিন সকালে অনুব্রত মণ্ডল বলেছিলেন টিভি বিস্ফোরণ হয়ে আগুন লেগে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। পরে অবশ্য বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications