কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ 'ভাইপো পুলিশ'-এর গালে সপাটে চড়, কটাক্ষ সুকান্তের
পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে সিবিআই। " ভাইপো পুলিশের গালে সপাটে চড়।" এমনই কটাক্ষ করলেন সুকান্ত মজুমদার। ছাত্র সমাজের ডাকে নবান্ন অভিযানে বিজেপি মহিলা কর্মীদের ডায়মন্ড হারবার পুলিশের গ্রেফতার করেছিল৷ তাদের উপর অত্যাচার নিয়ে বিস্ফোরক রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
সুকান্ত মজুমদার বলেন, ২৭ আগস্ট ছাত্র সমাজের ডাকে নবান্ন অভিযান হয়েছিল। সেই নবান্ন অভিযানের সাধারণ মানুষ এমনকী বিজেপি কর্মী সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেছিল। সেখানে কোনও এক মহিলা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার সম্বন্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করেন। সেই মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিজেপি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে ওই মহিলার আশেপাশের মহিলাদের গ্রেফতার করে। ডায়মন্ড হারবারের পুলিশ অকথ্য অত্যাচার করে। পুলিশি হেফাজতে এই ধরনের অত্যাচার করা যায় না। বাধ্য হয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হয়। হাইকোর্টের বিচারক রাজর্ষি ভরদ্বাজ নির্দেশ দেন। দুই মহিলার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
যে সব পুলিশ অফিসাররা এই অত্যাচার করেছেন, তাদেরকে সিবিআই চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। এই নির্দেশ ভাইপো পুলিশের গালে সপাটে চড়। জোরালো দাবি করেছেন সুকান্ত মজুমদার।
সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তারদের গণহস্তফা নিয়ে হুঁশিয়ারি প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেছেন সুকান্ত মজুমদার। " এই রাজ্য সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা সমস্ত কিছুতেই মানুষ তিতিবিরক্ত। মানুষের মনোভাব হচ্ছে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। ডাক্তারবাবুরা তো সমাজের বাইরে নন। তারাও তাই এই আন্দোলন করছেন। সবার দাবি এক, দফা এক, দাবি এক, মমতার পদত্যাগ। "
ডাক্তারদের সিজিও কমপ্লেক্স মিছিল নিয়েও বার্তা দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সিজিও চলো আবেদনের মাধ্যমে আন্দোলন ডাইভার্ট হয়ে যাবে৷ ডাক্তারবাবুদের মধ্যে একটা বামপন্থী শক্তি আছে। এই বামপন্থী শক্তিরা আন্দোলনকে ডাইভার্ট করে দিচ্ছে। সিজিওর কিছু করার নেই। যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা তথ্য ও সাক্ষ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে তদন্ত করে।












Click it and Unblock the Notifications