'বেআইনি নিয়োগ সব বাতিল হবে', রিপোর্ট চেয়ে স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের
নবম এবং দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আজ বুধবার SSC নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয়। আর সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, কতজ
নবম এবং দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আজ বুধবার SSC নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানি হয়। আর সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, কতজন বেআইনি নিয়োগ হয়েছে।
নবম এবং দশম শ্রেণিতে যাঁদের বেআইনি ভাবে নিয়োগ হয়েছে এই সংক্রান্ত তথ্যও তলব করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সিবিআই এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনকে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উভয়কেই এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও স্পষ্ট নির্দেশিকাতে জানিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বেআইনি ভাবে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের বরখাস্ত করা হবে।

কতজন বেআইনি নিয়োগ হয়েছে?
এদিন আদালতে দীর্ঘ শুনানি হয়। সিবিআইয়ের তরফে আইনজীবী বিল্লদ্বল ভট্টাচার্য জানান, বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। যদিও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এরপরেই প্রশ্ন করেন, কতজন বেআইনি নিয়োগ হয়েছে? এমনকি এসএসসির আইনজীবীর কাছেও এই বিষয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বিচারপতি। সুতনু পাত্র, এসএসসির আইনজীবী জানান, সিবিআই হাতে নেওয়ার পর বিষয়টি তাঁরা আর দেখেননি। আর এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, আপনারাও দেখুন। আমি আপনাদের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে বেআইনি নিয়োগ হওয়াদের চাকরি বাতিল করে নতুনদের চাকরি দেবো। সিবিআইকেও দিতে হবে কতজন বেআইনি নিয়োগ হয়েছে। আর তা আগামী সপ্তাহে মধ্যেই দিতে হবে বলে নির্দেশে জানায় কলকাতা হাইকোর্ট। প্রয়োজনে সিবিআই নতুন এসএসসির চেয়ারম্যানের সাহায্য নেবে বলেও জানান বিচারপতি। তবে এটা এসএসসির পক্ষে দেওয়া অসম্ভব বলে পালটা জানান এসএসসির আইনজীবী। কারণ হিসাবে তাঁরা জানান, রেকর্ড সিবিআইয়ের হেফাজতে।

অবিলম্বে চাকরি দিতে চাই
অন্যদকে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, আবেদনকারিদের পক্ষে সওয়ালে অংশ নেন। তিনি বলেন, বোর্ড একমাত্র তাদের ট্যালি থেকে বলতে পারবে। আর এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, আমি বেআইনি নিয়োগকারীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করে যারা ওয়েটিংয়ে আছে তাদের অবিলম্বে চাকরি দিতে চাই। তারা অনেক অপেক্ষা করেছে। মামলাও অনেকদিন চলছে। আর সময় নষ্ট করতে চাই না বলেও পর্যবেক্ষণ বিচারপরতির। শুধু তাই নয়, প্রকৃত চাকরি প্রাথীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করতে চান বলেও মন্তব্য বিচারপতির।

আদালতের নির্দেশ
এসএসসিকে অবিলম্বে আবেদনকারীর আইনজীবী ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আইনজীবীর সঙ্গে বৈঠক ডাকতে হবে। সেখানে কতজন বেআইনি নিয়োগ হয়েছে সেটা খতিয়ে দেখে আদালতকে রিপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি সিবিআইকে কতজন বেআইনি নিয়োগ হয়েছে সেটা খতিয়ে দেখে আদালতকে রিপোর্ট দিতে হবে। ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে হবে উভয়কেই। আদালত চায় চাকরি প্রাথীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামী সপ্তাহে শুরু করতে।*












Click it and Unblock the Notifications