থমথমে রিষড়া, হাওড়া-হুগলি-ডালখোলার ঘটনার রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে এখনও অশান্ত রিষড়। জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। ইতিমধ্যেই রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। সেই সঙ্গে সিসি ক্যামেরার ফুটেজও জমা দিতে বলেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

থমথমে রিষড়া
গতকাল রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল হুগলির রিষড়া। সেখানে উত্তেজনা ছড়াতেই পুলিশ কড়া পদক্ষেপ করে। ঘটনাস্থলে রাতেই গিয়েছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেখানকার মানুষদের আস্বস্ত করেন। এবং পুলিশকে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। গতকাল রাত থেকেই রিষড়ায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজও সকাল থেকে থমথমে হয়ে রয়েছে রিষড়া। পুলিশি টহল চলছে দফায় দফায়।

রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা রাজ্য। হাওড়ার শিবপুর, উত্তরবঙ্গের ইসলামপুরের কাছে ডালখোলা আবার হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনা নিয়ে মামলা হয়েছে হাইকোর্টে। এবার রাজ্য সরকারের কাছে এই তিন জায়গার অশান্তির ঘটনা নিেয় রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। ৫ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দিতে হবে। সেই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও ফুটেজও জমা দিতে বলা হয়েছে। হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।

এনআইএ তদন্তের দাবিতে মামলা
হাওড়ার শিবপুরের ঘটনা নিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করে হাইকোর্টে মামলা করেছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ এই ঘটনায় রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাত রয়েছে। এনআইএ-কে দিয়ে তদন্ত করলেই আসল চক্রান্ত বেরিয়ে আসবে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাবনবমীর মিছিলের কারণে এই অশান্তি মানতে নারাজ তিনি। এদিকে শাসক দলের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে বিজেপি অস্ত্র নিয়ে মিছিল করে প্ররোচনা দিয়েছে। তার জেরেই এই অশান্তি।

অমিত শাহের ফোন
শিবপুরের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যপালকে ফোন করেন। এবং গোটা ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পুলিশ প্রশাসন যাতে কড়া পদক্ষেপ করে তার ব্যবস্থা নিতে বলেন তিনি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও ফোন করেছিলেন তিনি। গতকাল অর্থাৎ রবিবার শিবপুরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু পুলিশ তাকে সেখানে যেতে বাধা দেয়। ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে বলে তাঁতে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications