Calcutta HC: “৬ হাজার বেতনে নার্স! কী হবে এখানে?” স্বাস্থ্যের ‘বেহাল’ দশা তুলে ধরে রাজ্যকে ভর্ৎসনা আদালতের
Calcutta HC: স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের। মথুরাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যকে তুলোধনা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি। হাসপাতালকে জমি দেওয়া ও সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার।
রাজ্যকে প্রধান বিচারপতি বলেন, "আপনারা ক্রিসমাসে লাইটিং করেই খুব গর্ব বোধ করেন। ওদিকে প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেই ১৯৭৬ থেকে ১০ শয্যার হাসপাতালই যথেষ্ট। তাই গ্রামের মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে এই হাসপাতাল থেকে ওই হাসপাতালে ছুটে বেড়ায়।" প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশায় বিস্ফোরক প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, "চন্দননগরে কি কোনও মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল আছে? আমি জানি নেই। এই আদালতে বহু মানুষ আসেন চন্দননগর থেকে। আবার আপনি এসে বলছেন হেরিটেজ শহর বানাবেন? আগে ওই শহর থেকে কলকাতায় আসার জন্য টাইমলি ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করুন। পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় যান। একবার আমার হোমটাউনে (চেন্নাই) আসুন। চিকিৎসকরা কি করে দেখুন।"
"রাজনৈতিক ইচ্ছে থাকলে সব হয়। আমলাদের কাজ আটকে যায় রাজনৈতিক ইচ্ছের উপরে। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এসে বললেও বিশ্বাস করব না। তার উপর আরও বড় কেউ থাকেন যিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সচিব কি করবে যদি নির্দেশ না আসে। তিনি শুধু প্রয়োগ করতে পারেন সিদ্ধান্ত,"এমনই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।
তাঁর কথায়, "সুন্দরবনের মানুষরা একমাত্র নৌকার ভরসায় যাতায়াত করেন। সেখানে পনেরো কুড়ি দিনের শিশুকে কিভাবে আনা হবে? দুখঃজনক আপনাদের আচরণ। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে একটুকু কি কাজ করতে পারেন না? অনেকেই কলকাতা দেখেননি। শিশুদের লেখা পড়া শেখানোর ব্যবস্থা করুন। কয়েক প্রজন্ম কৃতজ্ঞ থাকবে। অন্তত ৫০ শয্যার হাসপাতাল করুন যেখানে কন্ট্রাকচুয়াল নার্স নিয়োগ করবেন না। তাদের ভদ্রস্থ বেতন দিন। কী হচ্ছে এখানে? মাত্র ছয় হাজার বেতনে কাজ করাচ্ছেন! কী হবে এখানে?"
প্রধান বিচারপতির তোপের মুখে রাজ্য পরে নির্দেশ চায়। প্রধান বিচারপতি বলেন, "কয়েকজন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বললেই সচিব এবিষয়ে কি করা উচিৎ বুঝতে পারবেন। উনি চিকিৎসক কি না জানিনা। কিন্তু ওনাকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই, এখানে একটা হুইল চেয়ার পেতে গেলেও আমাদের অর্ডার দিতে হয়," বলেন প্রধান বিচারপতি।
মামলাকারীর বাবা ও দাদু ওই জমি দিয়েছিল ১৯৭৬ সালে হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য। ৩০ বিঘে জমি দেওয়া হয়েছিল। অথচ দশের বেশি শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়নি। এনিয়ে মামলায় রাজ্য জানায়, "আমরা অন্য কোনও কাজ করিনি ওই জমিতে। আমরা শুরু করেছি। আমরা কাজ করতে ইচ্ছুক। রেনোভেশন করা হয়েছে। আরো সময় চাই।"
যদিও প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, "এটা মানা যায় না। এখান থেকে কেন করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে যেতে হবে? কলকাতার বাইরে যান। মানুষ মারা যাচ্ছে দেখুন। যতক্ষণ না টানা হেঁচড়া হচ্ছে আপনারা কিছু করেন না। এত বছরেও পনেরোটা শয্যা বাড়াতে পারল না স্বাস্থ্য দফতর? লজিক আছে কি?" মন্তব্য প্রধান বিচারপতির। আগামী ৪ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি।
-
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব












Click it and Unblock the Notifications