অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাকে কু-মন্তব্য, ধৃত দুই মহিলাকে অত্যাচার! রিপোর্ট চাইল কলকাতা হাইকোর্ট
Calcutta High Court: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শিশুকন্যা সম্পর্কে কু-মন্তব্যে উৎসাহ! আর সেই অভিযোগে জেল বন্দি দুই মহিলার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। জেল সুপারকে রিপোর্ট দিয়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।
দ্রুত এই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Hospital Doctor Death) আবহেই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিশুকন্যা সম্পর্কে কু-মন্তব্যে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ। আর সেই অভিযোগে গত ৭ এবং ৮ সেপ্টেম্বর দুই মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ, পুলিশি হেফাজতে তাঁদের মারধর করা হয়েছে।
এমনকি দুই মহিলা অসুস্থ বলেও দাবি আইনজীবী। এরপর এই নিয়েই জেল সুপারের কাছ থেকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।আগামী ৩ অক্টোবরের মধ্যে ওই রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।
একই সঙ্গে দিন মামলার শুনানিতে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে আদালত। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের পর্যবেক্ষণ, একটা অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্ত থানা কী কাউকে গ্রেফতার করতে পারে। মামলাকারীর দাবি, ধৃত দুই মহিলা কোনও মন্তব্যই করেনি। শুধু হাততালি দিয়েছে। তারজন্য কীভাবে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে? প্রশ্ন মামলাকারী আইনজীবীর। একই সঙ্গে আইনজীবীর আবেদন, ২০ দিনের হেফাজতে রয়েছেন দুই মহিলা। তাই অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক।
পাল্টা রাজ্যের তরফেও উপস্থিত আইনজীবী এই বিষয়ে একাধিক যুক্তি দেন। আইনজীবী বলে, হেফাজতে অত্যাচারের কথা নিম্ন আদালতে কেন জানাননি অভিযুক্তরা। অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এই ধরনের মন্তব্যে কেউ উৎসাহ দেয় কী। এই ধরনের মন্তব্য কী সমাজে করা যায়?মামলার শুনানিতে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য।
যাদের ভিডিও দেখে চিহ্নিত করা গেছে সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলেও দাবি রাজ্যের আইনজীবী। এমনকি যিনি মন্তব্য করেছেন তিনিও হেফাজতে আছেন বলেও এদিন দাবি করেন আইনজীবী। দীর্ঘ শুনানি শেষে এর পরেই বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেন। এখন দেখার এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেল সুপার কি রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জমা দেয়। বলে রাখা প্রয়োজন, আরজি কর কাণ্ডের ঘটনার ৫০ দিন কেটে গেল। কিন্তু বিচার এখনও মেলেনি।












Click it and Unblock the Notifications