Partha Chatterjee: কলকাতা হাইকোর্টেই ঘুরে গেল 'খেলা'! মিলল না স্বস্তি, জেলেই থাকতে হবে পার্থকে
Partha Chatterjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam West Bengal) প্রবল চাপের মুখে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী! পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ পাঁচ জনের জামিন আবেদন খারিজ করে দিল বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর তৃতীয় বেঞ্চ। গত কয়েকদিন আগে ইডির একটি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে সুপ্রিম কোর্ট (Partha Chatterjee Bail Plea) জামিন দেয়। কিন্তু সিবিআই'য়ের মামলায় মিলল না স্বস্তি।
মুখ থুবড়ে পড়লেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা। জামিন না মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ফলে জেলমুক্তি ঘটছে না।আপাতত নতুন বছর জেলেই কাটাতে হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) । সোমবারই নিম্ন আদালতে তিনি জানান, আমি নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে কখনই যুক্ত ছিলাম না।

অন্যদিকে এই সংক্রান্ত মামলায় জেলেই থাকতে হচ্ছে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, শান্তিপ্রসাদ সিন্হা, সুবীরেশ ভট্টাচার্য এবং অশোককুমার সাহাকেও। এদিন তাঁদেরও জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর তৃতীয় বেঞ্চ।
যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআই'য়ের মামলায় জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ ৯ প্রভাবশালী। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
শুনানি শেষে আদালত দুই মিডলম্যানের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করলেও পার্থ চট্টয়াপধ্যায় সহ পাঁচ প্রভাবশালীর জামিন নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ আলাদা হয়। ফলে আইনি জটিলতায় মামলা ফিরে যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। সমস্যা সমধানে বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে তৃতীয় বেঞ্চ গঠন হয়। সেখানেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, শান্তিপ্রসাদ সিন্হা, সুবীরেশ ভট্টাচার্য এবং অশোককুমার সাহার জামিন মামলার শুনানি হয়।
দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পাঁচজনেরই জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল। এক্ষেত্রে আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্য মৌন থাকতে পারে না। আইন অনুযায়ী জামিন নিয়ম আর জেল ব্যতিক্রম। তবুও বলতে হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ। অযোগ্যেরা শিক্ষক হয়ে স্কুলে গেলে সমগ্র শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক অবনতি হয়।
একই সঙ্গে বিচারপতি আরও বলেন, "সততার সঙ্গে পরীক্ষা দিয়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ট্রায়ালের অনুমতি দিতে রাজ্য কেন চুপ? লোকসভা ভোটের আগে থেকে অভিযুক্তদের ট্রায়াল নিয়ে রাজ্য অবস্থান জানায়নি। বুঝতে হবে অভিযুক্তদের সঙ্গে রাজ্যের এখনও সম্পর্ক রয়েছে।"












Click it and Unblock the Notifications