RG Kar Hospital: আরজি কর কাণ্ডে CBI তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের
মুখ্যমন্ত্রীর ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এই নির্দেশ দিয়েছেন। অবিলম্বে সিবিআইকে এই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
পুলিশ এবং হাসপাতালের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নয় আদালত। আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টার মধ্য সব তদন্ত ভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রখাস করেছেন তিনি। এবং তাঁর আচরণ যথেষ্ট সন্দেহজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি। কীভাবে সন্দীপ ঘোষকে পদত্যাগের ৬ ঘণ্টার মধ্যে নতুন হাসপাতালের দায়িত্ব দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি।

অর্ধনগ্ন অবস্থায় দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি। যেকোনও মুহূর্তে প্রমাণ নষ্ট হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিচারপতি। এই ঘটনা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। সেই সঙ্গে হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষেরক আচরণ অত্যন্ত অসন্তোষজনক বলে তীব্র ভর্ৎসনা করে কলকাতা হাইকোর্ট। তাই আর দেরি না করে অবিলম্বে সিবিআইকে তদন্তের ভার তুলে দেওয়া হয়েছে।
আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার যাবতীয় তথ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ ময়না তদন্তের রিপোর্ট তুলে দিতে হবে সিবিআইয়ের হাতে। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। তারা তদন্তে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলেছিলেন। অবং প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে হাইকোর্টের নজরদারিতে মামলার তদন্ত দাবি করেছিলেন নির্যাতিতার পরিবার।
দুপুর ১টার সময় সেই মামলা গ্রহণ করে শুনানি শুরু করেন প্রধান বিচারপতি। তাতে হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলের বিচারপতি। অধ্যক্ষ হিসেবে যাঁর অভিভাবকের দায়িত্ব নেওয়া উচিত ছিল। সেই দায়িত্ব তিনি পালন করেননি। উল্টে এই ঘটনাকে ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকী নির্যাতিতার মা-বাবাকে তিন ঘণ্টা বসিয়ে রেখেছিলেন। একে অমানবিক আচরণ করেছেন তিনি। সন্দীপ রায়কে অবিলম্বে লম্বা ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আরজি কর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন জাতিয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরা। তাঁরা হাসপাতাল ঘুরে দেখে নিরাপত্তায় গাফিলতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন। এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে নিরাপত্তার দিকটি বিশেষ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তাঁরা। গতকাল লালবাজারেও কলকাতা পুলিশের সঙ্গে এই নিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন তাঁরা। তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়েও কথা বলেছেন তাঁরা।
হাসপাতালের নিরাপত্তায় যে অনেক গাফিলতি রয়েছে সেটা স্পষ্টই বোঝা গিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাঁরা নিরাপত্তার দিকটি নতুন করে সাজাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সিসিটিভি সারাই এবং নতুন সিসিটিভি বসানো হচ্ছে। আইকার্ড ছাড়া কাউক ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications