রাজ্যপালকে কি গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল? শুভেন্দুর রাজভবন অভিযান মামলায় পর্যবেক্ষণে আর কী বলল হাইকোর্ট
রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য নতুন করে রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানাতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল অনুমতি দিলে তার সঙ্গে দেখা করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী এবং ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীর করা মামলার প্রেক্ষিতে পর্যবেক্ষণে এমনই জানালেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, গতকাল রাজ্যপালের অনুমতি থাকলেও পুলিশ ১৪৪ ধারা জারির অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে এবং ঘরছাড়া ২০০ জন বিজেপি কর্মীকে রাজভবনে যেতে দেয়নি। ১ ঘণ্টা রাজভবনের বাইরে গাড়িতে অপেক্ষা করে ফিরে যেতে হয় তাঁকে এবং ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন বিজেপি নেতা।

রাজ্যপাল অনুমতি দিলে তার সঙ্গে দেখা করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী এবং ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। তবে রাজ্যপালের অনুমতি পেলে কতজন তার সঙ্গে দেখা করবেন এবং যদি গাড়ি নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে কয়টি গাড়ি রাজভবনের ভেতরে যাবে সেটা জানাতে হবে পুলিশকে। পর্যবেক্ষণে এমনই জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, গাড়ি ভেতরে নিয়ে যাব না। সবাই হেঁটে রাজভবনের ভেতরে যাওয়া হবে। তারপরে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, যে ব্যক্তিরা ভেতরে যাবেন তাদের সনাক্তকরণের কাজ শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকে কোন ব্যক্তিকে করতে হবে। তার পরে আবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন,
কিন্তু কারো পরিচয় নথিবদ্ধ করা যাবে না। নাহলে আবার পরে হেনস্তা করার আশঙ্কা থাকে।
গতকাল বিকেলে রাজভনের সামনে গার্ড রেল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল। ১ ঘণ্টা সেখানে বসে থেকেও রাজভবনে প্রবেশ করতে পারেননি শুভেন্দু অধিকারী। তারপরেই তিনি পুলিশের বরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন পুলিশ জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ কাজ করেছে। তারকপরেই আজ সকালে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বিচারপতি অমৃতা সিনহা তাঁকে মামলা দায়েরের অনুমতি দেন।
এদিকে আজ মাহেশ্বরী ভবনে গিয়ে বিজেপির ঘরছাড়া কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে আসেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপালের বিজেপি অফিসে যাওয়া নিয়ে নিশানা করেছেন কুণাল ঘোষও। তিনি অভিযোগ করেছেন নিজের দলের লোকেদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন রাজ্যপাল।












Click it and Unblock the Notifications