বড় ধাক্কা রাজ্যের! অতিরিক্ত শূন্যপদে অবৈধদের নিয়োগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চে

নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতে ফের ধাক্কা স্কুল সার্ভিস কমিশনের! "বেনামী" আবেদনপত্রের মামলায় সিবিআই তদন্তের রায় বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে বুধবারের দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল ডিভিশ

নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতে ফের ধাক্কা স্কুল সার্ভিস কমিশনের! "বেনামী" আবেদনপত্রের মামলায় সিবিআই তদন্তের রায় বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে বুধবারের দেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, শিক্ষা দপ্তরের সচিবের হাজিরার নির্দেশও বহাল রাখল আদালত।

অবৈধদের নিয়োগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল

তবে আজ বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পর্যবেক্ষণ করে ডিভিশন বেঞ্চ। জানায়, এটা অত্যন্ত বিস্ময়কর যে কিভাবে কমিশন অবৈধদের চাকরি দেওয়ার এরকম একটা আবেদন করল? - পর্যবেক্ষণ ডিভিশন বেঞ্চের। এমনকি কিভাবে অতিরিক্ত শূন্যপদ অযোগ্য প্রার্থীদের দিয়ে পূরন করার আবেদন আদালতের করা হল? তা নিয়েও এদিন মামলার শুনানিতে প্রশ্ন তোলে ডিভিশন বেঞ্চ।

পাশাপাশি একজন সচিবকে তলবের নির্দেশ কিভাবে চ্যালেঞ্জ করা যায়? তা নিয়েও এদিন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলা হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে।

বলে রাখা প্রয়োজন, অবৈধ ভাবে যারা চাকরি পেয়েছেন এবং যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে তাদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য এই শূন্যপদ তৈরির কথা জানিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। এনিয়ে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর বেঞ্চে মামলার শুনানিও হচ্ছে। কমিশন আদালতে বলেছে, অনেকেই তিন-চার বছর ধরে চাকরি করছেন, তাঁদের পরিবার রয়েছে, তাদের কথা ভেবেই আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে।

এব্যাপারে যদিও কমিশনের অবস্থান নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তারপরেই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসে এসএসসি। সেই মামলাতেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার কমিশনের আইনজীবীদের কাছে জানতে চান কার নির্দেশে কিংবা পরামর্শে কমিশন একাজে সামিল হয়েছিল? এব্যাপারে কোনও লিখিত প্রমাণ কমিশনের তরফে আদালতে দাখিল করা যায়নি।

বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কমিশনকে সামনে রেখে কার নির্দেশে শূন্যপদে অবৈধদের নিয়োগ? এই বিষয়ে জানতে চান বিচারপতি। শুধু তাই নয়, কে এই আবেদন করেছিল, আবেদনের উৎসই বা কে? বিষয়টি কার মস্তিস্কপ্রসূত, তা খতিয়ে দেখতে সিবিআইকে নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার এই সংক্রান্ত নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকি এই বিষয়ে শিক্ষা সচিবকেও আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়।

যদিও রাতেই এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় স্কুল সার্ভিস কমিশন। ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। আর তাতেই সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কেই বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চের। বলে রাখা প্রয়োজন, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে হাজিরা দেন শিক্ষা সচিব মনীশ জৈন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+