গান্ধী মূর্তির নিচে আপাতত ধরনায় না! প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীদের আবেদন খারিজ হাইকোর্টে
গান্ধী মূর্তির নিচে আপাতত ধর্নায় বসতে পারবেন না ২০১৪-র প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীরা। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা প্রায় ৫০ জন নতুন আন্দোলনকারীকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই সময় পার হওয়ার পরে ফের নতুন করে জয়েন্ট কমি
গান্ধী মূর্তির নিচে আপাতত ধর্নায় বসতে পারবেন না ২০১৪-র প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীরা। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা প্রায় ৫০ জন নতুন আন্দোলনকারীকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই সময় পার হওয়ার পরে ফের নতুন করে জয়েন্ট কমিশনারের কোনও অনুমতি না পাওয়ায় আদালতের দারস্থ হয় চাকরিপ্রার্থীরা। সেই আবেদন এদিন খারিজ করে দেয় বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্য সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ।

ধরনার মেয়াদ বৃদ্ধি নয়
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে গান্ধী মূর্তির নিচে চাকরি প্রার্থীদের ধরনার মেয়াদ আপাতত বৃদ্ধি করা হচ্ছে না। সেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০১৪-র প্রাথমিকের প্রায় ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী ২ মাসের জন্য ধরনা চালিয়ে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন হাইকোর্টের কাছে। যদিও সেই আবেদন এদিন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বরে ৫ দিনের জন্য অনুমতি
গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের তরফে আন্দোলনকারীদের ৫ দিনের জন্য ধরনার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই সময়সীমা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা ফের ২ মাসের ধরনার জন্য আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বিচারপতি জানিয়েছেন, এর আগে পাঁচ দিনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। অনির্দিষ্টকালের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাই নতুন করে অনুমতি মিলবে না।

গত ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে নির্দেশ
গত ৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি রাজশেখর মান্থা আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের নির্দেশ দেন, অবস্থানের অনুমতি চেয়ে নতুন করে পুলিশের কাছে আবেদন করতে। চাকরি প্রার্থীরা আবেদন জানান ৮ সেপ্টেম্বর। পুলিশ সই অনুমতি দেয় ১৩ সেপ্টেম্বর। আর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ দিনের ধরনায় বসেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০১৪-র প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীরা।

খোলা আকাশের নিচে ধরনা চলছে
অন্যদিকে খোলা আকাশের নিচে এসএসসির চাকরি প্রার্থীদের ধরনা ৬০০ দিনের পথে। পরপর দুবছরের ইদ গিয়েছে, দুর্গাপুজো গিয়েছে, কিন্তু একইভাবে ধরনায় বসে রয়েছেন এসএসসির চাকরিপ্রার্থীরা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে বিদ্বজ্জনেরা সেই ধরনা মঞ্চে হাজির হয়ে সহানুভূতি জানাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনে। লক্ষ্মীপুজোয় চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন কৌশিক সেন। স্ত্রী রেশন সেন এবং ছেলে ঋদ্ধি সেনকে নিয়ে কালো পোশাক পরে গিয়েছিলেন কৌশিক সেন।












Click it and Unblock the Notifications