হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ পুলিশের, বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা টেনে মমতাকে নিশানা মালব্যর
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবাদকারীদের ওপর কলকাতা পুলিশের লাঠিচার্জ-সহ পদক্ষেপকে "পরিকল্পিত রাষ্ট্র-সমর্থিত গুন্ডামি" বলে আখ্যায়িত করল বিজেপি। প্রতিবেশী দেশে "নিপীড়িত হিন্দুদের" জন্য ন্যায়বিচার চাওয়া কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করার অপচেষ্টা বলেও উল্লেখ করেছে বিজেপি।
এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কয়েকশো সমর্থক এদিন দুপুরে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের দিকে মিছিল করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

বিক্ষোভকারীরা মধ্য কলকাতার বেকবাগান এলাকার উপ-হাই কমিশন অভিমুখে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন প্রতিবাদকারী গ্রেফতার হন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন সামান্য আহত হন। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
মালব্য বলেন, "আজ কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশনের বাইরে হিন্দু বিক্ষোভকারীদের উপর বর্বর হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে মহিলা ও প্রবীণদের ব্যারিকেডের আড়ালে আটকে, লাঠিচার্জ করে, মারধর করে রক্ত ঝরিয়ে রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুদের জন্য ন্যায়বিচার দাবি করা কণ্ঠস্বরকে নীরব করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র-পৃষ্ঠপোষক ধৃষ্টতার একটি পরিকল্পিত কাজ।"
এক্স পোস্টে তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর গুন্ডা পুলিশ বাহিনীর আড়ালে লুকিয়ে থাকা বন্ধ করতে হবে।" মালব্যের দাবি, বাংলাদেশের ময়মনসিংহে ব্লাসফেমির অভিযোগে গত ২০ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাসকে "পুড়িয়ে হত্যা করার" প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।
মালব্য আরও অভিযোগ করেন, "মমতার পুলিশ একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে রক্তস্নানে পরিণত করেছে, তৃণমূলের ভাড়া করা গুন্ডাদের মতো কাজ করেছে।"
বিজেপি নেতা এটিকে "বিপজ্জনক প্রবণতার অংশ" আখ্যা দেন। তিনি বলেন, "পুলিশ স্বৈরাচারের হাতিয়ার হিসাবে কাজ করছে, যা উগ্রপন্থীদের খুশি করতে হিন্দু রক্ত ঝরায়, বাংলাদেশের মতো বর্বরতার প্রতিচ্ছবি।" মালব্য দৃঢ়ভাবে জানান, বিজেপি "বাংলার হিন্দুদের" "প্রকৃত রক্ষাকর্তা" হিসেবে তাদের অধিকার, সম্মান ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।












Click it and Unblock the Notifications