পুজোর মধ্যেই ভয়ঙ্কর বাস দুর্ঘটনা, মৃত তিন
পুজোর রেশ এখনও কাটেনি। এখনও বাকি রয়েছে কার্নিভ্যাল। এসবের মধ্যেই শহরে ফের বেপরোয়া বাস চালানোর ঘটনা দেখা দিল। দশমীর রাতে শিয়ালদহে বেপরোয়া ভাবে বাসের ধাক্কায় মারা গিয়েছেন তিন জন। প্রথমে এই ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। জানা গিয়েছিল বাসের ধাক্কায় মারা গিয়েছে এক তরুণী। এখন জানা যাচ্ছে বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। বেপরোয়া বাসের বলি এখন এক থেকে বেড়ে গিয়েছে তিন।

তরুণীর মৃত্যু
গতকাল রাতে যখন ওই ঘটনা ঘটে তখন ওই তরুণীর মৃত্যু হলেও আহত হন আরও চারজন। পুলিশ সূত্রে খবর সেই খবরই মেলে। পরে ওই আহতদের মধ্যে আবার আরও দু'জন মারা জানা বলে জানা যায়। যারা আহত অবস্থায় ছিলেন তাঁদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা গুরুতর ছিল বলে জানা গিয়েছে। তাদেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে যে বেপরোয়া বাসটি ৪৬ নম্বর রুটের।

রেষারেষি
সেটিই অন্য একটি বাসের সঙ্গে রেষারেষি করছিল। তা করতে গিয়েই সেটি ৫ জনকে ধাক্কা মেরে দেয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই তরুণীর। বাকি চারজন গুরুতর আহতকে দ্রুত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত কিছু করা যায়নি, চার আহতের মধ্যে মারা যান দুজন। পুলিশ বাস চালক সহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

মুখোমুখি সংঘর্ষ
মাস দেড়েক আগের ঘটনা। সরকারি বাস এবং অটোর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মর্মান্তিক নয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। আহত হয় আরও বেশ কয়েকজন।
ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের তেলডা গ্রামের রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রামপুরহাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুরো এলাকা ঘিরে রাখা হয়। ঘটনার পর ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর কার্যত স্তব্ধ যান চলাচল। এর ফলে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল।

ভয়াবহ এই পথ দুর্ঘটনা
জানা যায়, ভয়াবহ এই পথ দুর্ঘটনায় মৃত নয়জনই ওই অভিশপ্ত অটোতে ছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় একটি এলাকায় দলবেঁধে ধান পোঁতার কাজ করছিলেন। এবং কাজ শেষে একসঙ্গেই ওই অটোতে বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা যায়। সেই সময় উল্টো দিক থেকে অর্থাৎ রামপুরহাট থেকে সিউড়ির দিকে আসছিল দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের একটি বাস। ওই বাসটির সঙ্গে একেবারে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। ঘটনাস্থলেই ওই নয়জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications