Buddhadeb Bhattacharjee: বিদায়! আর দেখা হবে না, চিরতরে বুদ্ধবাবুকে বিদায় জানাল পাম অ্যাভিনিউ
শেষ বারের মতো পাম অ্যাভিনিউর বাড়ি থেকে বেরোলেন বুদ্ধবাবু। এবার আর ফিরবেন না তিনি। এবার তাঁর ঠিকানা অন্য। না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন তিনি। পাম অ্যাভিনিউ-র কাছেও এবার কেবল স্মৃতি হয়ে রয়ে যাবেন তিনি।
ছোট্ট একতলার ২ কামরার ঘরে কাটিয়ে দিলেন গোটা জীবনটাই। লাল ঝাঁন্ডা নিয়ে থিকথিক করছিল গোটা রাস্তা। এবার আর সাদা অ্যাম্বাসাডার নয়। এবার শববাহী শকটে চড়বে তাঁর নিথর দেহ। বুদ্ধবাবুর শেষ বিদায়বেলায় আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মীরা ভট্টাচার্য।

আতিশয্য তাঁর পছন্দ করতেন না। শেষ বিদায়ও ছিল না কোনও বিশেষ আয়োজন। দলীয় পতাকায় ঢেকে দেওয়া হয়েছিল তাঁর দেহ। এই ঝাণ্ডা নিয়েই রাজনীতির ময়দানে লড়াইয়ে সামিল হয়েছিলেন তিনি। সেই লাল ঝান্ডা গায়ে দিয়েই শেষবারের মতো পাম অ্যাভিনিউর বাড়ি থেকে বেরোলেন তিনি। লাল সেলামে মুখরিত হয়ে ওঠে পাম অ্যাভিনিউ। লাল ঝাণ্ডায় ঢেকে গিয়েছিল গোটা এলাকা।
অন্যদিকে দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গীকে বিদায় জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তাঁর স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য। মুখ্যমন্ত্রী পথ থেকে সরে আসার পর মীরা ভট্টাচার্য ছিলেন তাঁরা ছায়াসঙ্গী। চোখের সমস্যার কারণে দেখতে পেতেন না। টেলিভিশনের অডিও জোরে করে দিয়ে শুনতেন খবর। চোখে দেখতে পেতেন না বলে প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়ে শোনাতেন । আজ থেকে সেই রুটিনের ছুটি। আর কোনও কিছুই করতে হবে না।
কোনওদিনই খুব একটা জনসমক্ষে থাকতে চাইতেন না। লোক চক্ষুর অন্তরালে থেকেই কাজ করতে চাইতেন তিনি। কিন্তু আজ আর লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা হল না। শেষ বিদায়ে পাম অ্যাভিনিউ থিক থিক করছে ভিড়ে। বারবার থমকে যেতে হচ্ছে তাঁর শববাহী গাড়িকে। প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে গণসঙ্গীত গাইলেন অনুরাগীরা। ভিড়ের চাপে বারবার থমকে গেল তাঁর শববাহী শকট।












Click it and Unblock the Notifications