রাজ্যজুড়ে বিজেপির ডিএম অফিস ঘেরাও কর্মসূচি, রণসাজে পুলিশ-প্রশাসন
বিজেপির জেলাশাসক অফিস ঘেরাও অভিযানে উত্তেজনা। বচসা। ধস্তাধস্তি পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের। কোচবিহার থেকে বর্ধমান, আসানসোল, মালদহ, হাওড়া, বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে ধুন্ধুমার হয়। কোচবিহারে আটক হন নিশীথ প্রামাণিক। আটক করা হয় লকেট চট্টোপাধ্যায়কে।
মহিলা বিজেপি কর্মীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠল বর্ধমানে। পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসক অফিসে বিজেপির ঘেরাও কর্মসূচি। সেটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো সোমবার বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে। মূলত আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপির এই কর্মসূচি।

বিজেপির মিছিল আসার আগেই জেলা পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।গোটা কোর্ট চত্বর সহ জেলাশাসকের অফিস নিরাপত্তার চাদরে মুরে ফেলা হয়। এদিন তারা বর্ধমান স্টেশন থেকে মিছিল করে জেলাশাসকের অফিস আসে। কোর্ট চত্বর এলাকায় পর পর তিনটি লোহা ও বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়।
প্রথম ব্যারিকেড তারা ভেঙে ফেলে। দ্বিতীয় ব্যারিকেড ভাঙতে গেলে পুলিশ আটকে দেয়। বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সঙ্গে ছিল জলকামান। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে বচসা। বিজেপি কর্মীদের শুরু হয় ধস্তাধস্তি।পুলিশ মহিলাদের উপর লাঠি চার্জ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। আসানসোলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা জেলাশাসক ভবনের দিকে যেতে চেয়েছিল। তাদের উপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ।
হাওড়ায় জেলাশাসক ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের ব্যারিকেডের উপর উঠে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। স্লোগান দিতে থাকেন তারা। ব্যারিকেড ধরেই পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়।
'দড়ি ধরে মারো টান, রানি হবে খান খান' স্লোগান তুলল বিজেপি। মালদহের জেলাশাসকের দফতর কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ, হাঙ্গামা। পুলিশের প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়া হয়। পরে তাদের আটকে দেওয়া হয়। সেখানেই বসে অবস্থান করেন সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিজেপি কর্মী - সমর্থকরা।
কোচবিহারে রীতিমতো ধুন্ধুমার পরিস্থিতি হয়। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি হয়৷ রণং দেহি চেহারা দেখা যায় পুলিশের। ব্যাপক মারধর করা হয়। জলকামান ব্যবহার করা হয়। নিশীথ প্রামাণিক সহ বিজেপি কর্মী আটক এই ঘটনায়।












Click it and Unblock the Notifications