'মেয়র তুমি গদি ছাড়ো', ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রতিবাদে বিজেপি যুব মোর্চা
'মেয়র তুমি গদি ছাড়ো', ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রতিবাদে বিজেপি যুব মোর্চা
স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ডেঙ্গু সংক্রমণ রুখতে কলকাতা পৌরসভার মেয়রের ব্যর্থতার প্রতিবাদে পথে নামল ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা। তারা বলছেন ডেঙ্গু পশ্চিমবঙ্গে ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং রাজ্য প্রশাসন তথ্য লুকোতে ব্যস্ত। মানুষ মারা যাচ্ছে কিন্তু কলকাতা পৌরসভা নির্বিকার। তাই জনাব মেয়রবাবুকে সচেতন করতে এই প্রতিবাদ।

ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা পক্ষ থেকে রাসবিহারী মণ্ডল ৩ এ একটি অটো প্রচারের আয়োজন করা হয়। উক্ত অটো প্রচারে রাসবিহারী মন্ডল ৩ এর সভাপতি এবং মণ্ডলের সকল বরিষ্ঠ কার্যকর্তাদের উপস্থিত ছিলেন।
এই বিষয়ে তাঁরা বলছেন, ন্যায্য চাকরিপ্রার্থীরা আক্রান্ত, রক্তাক্ত। এমনকি যাদের পুলিশ মেরেছে, তারা জামিন- অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার। যারা আক্রমন করল, রক্তাক্ত করল, জামা-কাপড় টেনে হিঁচড়ে কামড়ে দিল তারা রাজকীয় পুলিশী ঘেরাটোপে। মাননীয়ার অনুপ্রেরণায় তৃনমূল পুলিশ দুস্কৃতিদের সিন্ডিকেট চলছে রাজ্যে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ যদি করতে না পারো, জনাব মেয়র তুমি গদি ছাড়ো।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূলমন্ত্র এডিস মশার বিস্তার রোধ করা। ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এ মশা তুলনামূলক পরিষ্কার ও স্বচ্ছ পানিতে বিস্তার করে। বাড়ির আশপাশে পানি জমে এমন যায়গা, বদ্ধ জলাশয় পরিষ্কার রাখতে হবে। ফ্রিজ ও এসির পানি যেন না জমে থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। ফুলের টবে পানি জমতে দেবেন না। অব্যবহৃত কৌটা, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি সরিয়ে ফেলতে হবে। দিনে ঘুমালে মশারি ব্যবহার করুন বা অ্যারোসল স্প্রে করুন। ডেঙ্গু মৌসুমে বাইরে গেলে হাত-পা ঢেকে থাকে, এমন পোশাক পরুন। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে সব সময় মশারির ভেতরে রাখুন। ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরপরই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
পরিবেশ কর্মী তাপস বর্মন বলেন, "ডেঙ্গু একটি মশাবাহিত রোগ। চিকিৎসক থেকে শিশু, মাঝে সব বয়সের সব পেশার মানুষ সম্প্রতি ব্যাপক ভাবে ডেঙ্গুতে ভূগছে, অনেকেই স্বজন হারা হচ্ছে, অনেকেই অসহায় হচ্ছেন নানা ভাবে। পরিচিত আশেপাশের মানুষজন থেকে সহকর্মী কেউ না কেউ আক্রান্ত হচ্ছে। ডেঙ্গু যতটা ভয়াভয়তা ধারণ করেছে, তেমন তা নিয়ে সরকারের , রাষ্ট্রের কোন বিশেষ তৎপরতা দেখা দিচ্ছে না ; স্বাস্থ্য মন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী এখনো সৌজন্য সাক্ষাৎ, উৎসব অনুষ্ঠানের রাশ থেকে বেড় হতে পারেনি ; চূড়ান্ত অসহায়তা। এই প্রশ্নে গোটা রাজনৈতিক পক্ষ রাজনৈতিক দল ও তাদের সহস্র গণ সংগঠন গুলিও নিরব যেন, নাগরিক সমাজও চুপচাপ ; সব যেন ঠিক ঠাক চলছে।"
তিনি বলেছেন, "করোনার যেমন চিকিৎসা নেই, ছিল সচেতনতা এবং সহায়ক চিকিৎসা তেমনি উপযুক্ত প্রচার, সচেতনতা, চিকিৎসা কাঠামো হলে এই সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে উঠা সম্ভব ; কারণ সরাসরি ডেঙ্গু'র চিকিৎসা নেই। দরকার সরকার সহ সকল রাজনৈতিক পক্ষ, নাগরিক পক্ষের তরফে ব্যপক প্রচার , এমনকি দলীয় পতাকা নিয়েও পাড়ায় পাড়ায় প্রচার , জল না জমানো, নালা পরিস্কার, প্লাস্টিক ব্যবহার না করা ইত্যাদি করা উচিৎ, সেই সাথে কেন্দ্র যাতে উপযুক্ত পরিমানে কীট সরবরাহ করে, হাসপাতাল গুলিতে যাতে উপযুক্ত চিকিৎসা মেলে এবং বেসরকারী হাসপাতাল গুলি যাতে সীমার মধ্যে থেকে আয় করে ; দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে লুঠ না চালায় ; এই বিষয়গুলিতে সরকার থেকে বাকি সকলের সজাগ নজরদারী ও উদ্দোগ দরকার। অবিলম্বে ডেঙ্গুকে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরী পরিস্থিতি ঘোষনা করা দরকার। ডেঙ্গু সচেতনতা সকলের স্বেচ্ছামূলক দেশের কাজ হয়ে উঠুক। এবং লুকো চুরি বন্ধ হোক তথ্যে । ২০১৬ সালে আমি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাঁচদিন বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে থাকি কিন্তু ডেঙ্গু হয়েছিল এই কথা জানতে পারি ছুটির পর ব্লাড রিপোর্টে ; অথচ ছুটি দেওয়া হয় 'ভাইরাল ফিবার' নামে। "












Click it and Unblock the Notifications