দিলীপের নামে নালিশ দলেরই কর্মীদের, ‘মমতা বাংলার মুখ’ মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুধু প্রথম বাঙালি সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেননি, তাঁকে বাংলার মুখ হিসেবেও তুলে ধরেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুধু প্রথম বাঙালি সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্ণনা করেননি, তাঁকে বাংলার মুখ হিসেবেও তুলে ধরেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর এই মন্তব্য করে তিনি এখন দলীয় নেতা-কর্মীদের রোষের মুখে পড়লেন। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের কাছে নালিশ করেছে দলের একাংশ।

অমিতের কাছে নালিশ
দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পর অমিত শাহের কাছে একাংশের নালিশ, এভাবে চললে ২০১৯-এ বিজেপি যেটুকু চ্যালেঞ্জ দেবে মনে করা হচ্ছিল, তাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। এই ধরনের মন্তব্য, শুধু য়ে তৃণমূলকে মাইলেজ দেবে তা নয়, অন্যান্য বিরোধী সিপিএম ও কংগ্রেসকেও অক্সিজেন জোগাবে। তাই এবার একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তৃণমূলকে সমর্থনে ধমক
এর আগেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ধমক খেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র পদে বসানোর জন্য তৃণমূলের আনা পুর আইন সংশোধনী বিলে সমর্থন করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা খড়গপুরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তাঁর এই অবস্থান দল ভালোভাবে নেয়নি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাই তাঁকে ধমক দিয়েছিলেন। তারই ফলশ্রুতিতে পাঁচ কাউন্নিলর নিয়েও ফিরহাদের বিরুদ্ধে প্রার্থী খাঁড়া করেছিল বিজেপি।

এবারও আরও মারাত্মক মন্তব্য
বিজেপির অন্দরেই শোরগোল উঠেছে, এবার আরও মারাত্মক মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। প্রধান বিরোধী দলের সভাপতি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার মুখ হিসেবে তুলে ধরা বুমেরাং হবে ২০১৯-এ। বাংলায় পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখাও ভুলে যেতে হবে বলে মনে করছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা।

বাংলার মুখ-বাঙালি প্রধানমন্ত্রী
দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছায় তাঁর সাফল্য কামনা করে বলেছিলেন। তিনি বাংলায় মুখ। আমরা বাঙালি রাষ্ট্রপতি পেয়েছি প্রণববাবুকে। জ্যোতি বসুকে একটুর জন্য ফসকেছি বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এক নম্বরে আছেন। যদি কেউ বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।












Click it and Unblock the Notifications