পুরভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে 'অস্ত্র' মজুত বিজেপির ভাণ্ডারে! শান দিতে কর্মসূচি ঘোষণা
পুরভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে 'অস্ত্র' মজুত বিজেপির ভাণ্ডারে! শান দিতে কর্মসূচি ঘোষণা
একদিকে যেমন বিজেপি (BJP) কলকাতা (Kolkata) ও হাওড়া (howrah) পুরসভার ভোট পরিচালনা করতে কমিটির ঘোষণা করেছে, তারই সঙ্গে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সামনে সরকারের মুখোশ তুলে ধরতেই এই পদক্ষেপ। মূলত পেট্রোল (Petrol)ও ডিজেলের (Diesel) দাম কমানোর দাবিকে সামনে রেখে কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও, বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির বিষয়টিকেও সঙ্গে রাখা হচ্ছে।

দুটি ইস্যুতেই সাধারণ মানুষের যোগ
আপাতত হাতে রয়েছে দুটি বড় ইস্যু। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকার জ্বালানির শুল্ক কমানোর পরে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির পাশাপাশি কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলি নিজেদের শুল্ক কমালেও সেই পথে হাঁটেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কিন্তু এর প্রভাব পড়ে সব মানুষের ওপরে। এছাড়াও রয়েছে সিইএসসি এলাকায় বর্ধিত মাশুলের অভিযোগ। বিজেপির অভিযোগ অনুযায়ী, সিইএসসি এলাকার মানুষেরা বিদ্যুতের জন্য যে মাশুল দেন, তা দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি। এই দুই ইস্যু শুধু কলকাতা কিংবা হাওড়াতেই নয়, সারা রাজ্যে পুরভোটের প্রচারে কার্যকরী বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির। কেননা এই দুই ইসুর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে।

আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা
বিজেপির তরফে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানোর দাবিতে আন্দোলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এব্যাপারে রাজ্য সরকারের তরফে এখনও কোনও সদর্খ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। বিজেপির দাবি একমাত্র বিরোধী দল হিসেবে তারাই বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে আন্দোলন করে চলেছেন। এবার সেই আন্দোলন সাধারণ মানুষকে নিয়ে হবে। ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে সব মণ্ডলে জ্বালানির দাম কমাতে আন্দোসন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য সহ সভাপতি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভাবনা চিন্তা করে প্রার্থী বাছাই
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ভাবনা চিন্তা করেই প্রার্থী বাছাই করা হবে। বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে ধাক্কা খেয়ে শেখা বিজেপি এবার দলের পুরনো সদস্যদের প্রার্থী তালিকায় স্থান দিয়ে মর্যাদা দিতে পারে বলেই সূত্রের খবর।

দলত্যাগীদের নিয়ে ভাবছে না বিজেপি
রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পুরনোদের মধ্যে থেকে প্রার্থী নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পুরভোটে প্রার্থী নির্বাচনের মধ্যে দিয়েই পরবর্তী নেতা উঠে আসবেন। এক্ষেত্রে সংগঠন শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তিনি। যাঁরা এসেছিলেন এবং চলে গিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে বিজেপি ভাবিত নয় মন্তব্য, সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, যাঁরা বিজেপির নীতি-আদর্শকে ভালবেসে থাকবেন, দলে তাঁরা স্বাগত। তিনি তুলনা করে বলতে চলেছেন, যাঁরা চলে গিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ফলে তাঁদের কোনও অবদান ছিল না।












Click it and Unblock the Notifications