টার্গেট আসানসোলে বিজেপির ‘বিস্তার’ শুরু, পঞ্চায়েতের শিক্ষায় এবার কোন অস্ত্র প্রয়োগ
দার্জিলিংয়ের আশা প্রায় নেই-ই। সবেধন নীলমণি বলতে বাবুল সুপ্রিয় আসানসোল। কিন্তু এই সম্বলটুকু কি এবার ধরে রাখতে পারবে বিজেপি? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।
দার্জিলিংয়ের আশা প্রায় নেই-ই। সবেধন নীলমণি বলতে বাবুল সুপ্রিয় আসানসোল। কিন্তু এই সম্বলটুকু কি এবার ধরে রাখতে পারবে বিজেপি? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আবার ২২টি আসনকে টার্গেট করে ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছেন লোকসভার। তার মধ্যে অবশ্যই রয়েছে আসানসোল। পঞ্চায়েত নির্বাচন কাটতেই তাই আসানসোলের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নেমে পড়ল বিজেপি।

এবার আসানসোলে বিজেপি আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। তার জন্য অবশ্য শাসক দলের লাগামহীন সন্ত্রাসকেই দায়ী করছে নেতৃত্ব। তবু একটা প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঠে পড়ছে, জঙ্গলমহলে যদি শাসককে প্রতিহত করা সম্ভব হয়, তাহলে যেখানে বিজেপির দখলদারি ছিল সেখানে কেন খেলা দেখাতে পারল না বিজেপি?
তবে কি কোথাও খামতি রয়ে গিয়েছিল সংগঠনে। তা খুঁজতেই আসানসোলে ময়দানে নেমে পড়ল বিজেপি। শুধু ময়দানে নেমে পড়াই নয় পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সাংগঠনিক ভিত মজবুত করতে বুথ কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিল। সেইসঙ্গে শুরু হয়ে গেল কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাও।
বিজেপির পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন। বাবুল সুপ্রিয় গতবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তাঁর কেন্দ্রের সাতটি ব্লকে কিন্তু বিজেপির অবস্থা খুব ভালো নয়। বিজেপি মাত্র সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করতে সমর্থ হয়েছে। আর গোটা জেলায় পেয়েছে ১৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত। প্রশ্ন উঠেছে বিজেপির জেতা আসনেই যদি এই সংকট তৈরি হয়, তাহলে অন্য কেন্দ্রগুলিতে কী হবে বিজেপির অবস্থা।
শুধু কি সন্ত্রাসের দোহাই দিয়ে দুর্বলতা ঢাকা সম্ভব। লক্ষ্য যখন সুদূরপ্রসারী, তার জন্য তৈরি হতে হবে আলাদা করেই। আর সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল বিজেপিতে। অসানসোল দিয়েই শুরু। এরপর আর কোন কোন কেন্দ্রকে বিজেপি টার্গেট করে এগোয়, সেটা প্রকাশ হয়ে যাবে ক্রমেই। পঞ্চায়েত ভোটের নিরিখে জঙ্গলমহলকে যে এবার বিজেপি টার্গেট করবে, তা বলাই বাহুল্য। সেইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রও বিজেপির টার্গেট। এবার একে একে বিস্তারলাভ করতে শুরু করবে বিজেপি। সংগঠন বাড়ানোর কাজে মন দেবে নেতৃত্ব।












Click it and Unblock the Notifications