লক্ষ্যভেদ! নবান্নে পৌঁছতে না পারলেও পঞ্চায়েত ভোটের আগে শক্তি প্রদর্শনে সফল বঙ্গ বিজেপি

লক্ষ্যভেদ! নবান্নে পৌঁছতে না পারলেও পঞ্চায়েত ভোটের আগে শক্তি প্রদর্শনে সফল বঙ্গ বিজেপি

দুর্ণীতি সহ একাধিক ইস্যুতে রাজ্যে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু আসল উদ্দেশ্য ছিল পঞ্চায়েত ভোটের আগে শক্তি প্রদর্শন। আর তাতে সিংহভাগ সফল বঙ্গ বিজেপি। বিজেপি যে শাসক দল ধর্তব্যের মধ্যে রাখছে তা নবান্ন অভিযান আটকানোর এলাহি আয়োজনেই প্রমাণ করে দিয়েছে মমতা সরকার। বিজেপির নবান্ন অভিযান রুখতে শহর জুড়ে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছিল গোটা শহর তাতেই অর্ধেক যুদ্ধ জয় করে ফেলেছিল বিজেপি।

উদ্দেশ্য সফল বিজেপির

উদ্দেশ্য সফল বিজেপির

সকাল থেকে টানটান উত্তেজনা ছিল শহরে। সোমবার রাত থেকে যে বর্ষণ শহরে শুরু হয়েছিল তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন বিজেপির নবান্ন অভিযান পণ্ড হতে বসেছে। কিন্তু সকাল থেকেই সপ্তম সুের ছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপি নেতারাও উচ্চগ্রামে সুর বেঁধেছিলেন। বেলা গড়াতেই ধীরে ধীরে শহর জুড়ে বিজেপি কর্মীরা কার্যত দাপিেয় বেরিয়েছেন। পুলিশের কাঁদানে গ্যাস,লাঠি, জলকামানের সঙ্গে এক প্রকার বুক িচতিয়ে লড়াই করেছেন তাঁরা। যদিও সুকান্ত মজুমদার ছাড়া তেমন কোনও বড় বিজেপি নেতাকে মিছিলের সামনের সারিতে দেখা যায়নি। তবে উদ্দেশ্য সফল হয়েছে বিজেপির। নবান্ন অভিযানের নামে এক প্রকার শক্তি প্রদর্শনে সফল বিজেপি।

শুভেন্দুকে টার্গেটে রেখে লাভ হয়নি পুলিশের

শুভেন্দুকে টার্গেটে রেখে লাভ হয়নি পুলিশের

বিজেপির নবান্ন অভিযান বানচাল করতে শুভেন্দু অধিকারীকেই প্রথমে টার্গেট করেছিল পুলিশ। সেকারণে সাঁতরাগাছিকে চরম নজরদারি চালানো হয়েছিল। সেকারণে মিছিল শুরুর আগেই আটক করা হয় শুভেন্দু অধিকারীকে। এমনটা হতে পারে আঁচ করে আগে থেকেই প্ল্যান বি রেডি রেখেছিল বিজেপি। সাঁতরাগািছতে বিজেিপ কর্মীদের নিয়ে মিছিল শুরু করেন সৌমিত্র খাঁ। সেই মিছিলে যে বিজেপি কর্মীরা অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে কার্যত হিমসিম খেতে হয়েছে পুলিশকে। শেষ বেলা পর্যন্ত সেখানে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। শেষে শুভেন্দু অধিকারীর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে আন্দোলনে ইতি টানেন তাঁরা।

লালবাজারে বিক্ষোভ

লালবাজারে বিক্ষোভ

লাল বাজারে যে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে পরেন সেটা পরিকল্পনাই করতে পারেনিপুলিশ। শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করে লালবাজারে রাখা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেখানে হঠাৎকরে ঢুকে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। রাজ্য পুলিশের সদর দফতরে এভাবে বিজেপি কর্মীদের ঢুকে পড়ার ঘটনায় হত চকিত হয়ে গিয়েছিল পুলিশ। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে রীতিমত খণ্ড যুদ্ধ বেঁধে যায় পুলিশের। শেষে বাইরে থেকে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় তারা।

পুিলশের গাড়িতে আগুন

পুিলশের গাড়িতে আগুন

শহরের ভেতরে যাকে বলে বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র এমজিরোডে বিধ্বংসী বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশের পিসিআর ভ্যান ভাঙচুর করে তাঁরা। রাগের বহিঃপ্রকাশ করতে পিসিআর ভ্যানের উপরে চেপে ভাঙচুর করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। তারপরে বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা পুলিশের পিসিআর ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। দীর্ঘক্ষণ আগুন জ্বলার পর দমকল এসে আগুন িনয়ন্ত্রণে আনে। এক কথা বিজেপি তাঁদের শক্তি প্রদর্শনে সফল হয়েছে বলাই যায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+