লোকসভা ভোটের নীল নকশা তৈরি বিজেপির! দিলীপ ঘোষরা তুলে দেবেন অমিত শাহের হাতে
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্য থেকে ২৬ টি আসন জিততে পারে। এমনই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে। বুধবার রাজ্য সফরে আসা অমিত শাহের হাতে সেই রিপোর্ট তুলে দেওয়া হবে।
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্য থেকে ২৬ টি আসন জিততে পারে। এমনই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে। বুধবার রাজ্য সফরে আসা অমিত শাহের হাতে সেই রিপোর্ট তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। সব বুথে এজেন্ট দিতে না পারা বিজেপির এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শাসক তৃণমূল ও বাম-কংগ্রেস নেতারা।

বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যে আসছেন ২৭ জুন। তাঁর এই রাজ্য সফরের দিকে তাকিয়ে রাজ্য বিজেপির তরফে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে একাধিক। যার মধ্যে রয়েছে লোকসভা নির্বাচনের টার্গেট, দলের সাংগঠনিক অবস্থার কথাও।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনের টার্গেট খোলসা করেছেন। তাদের টার্গেট অনুযায়ী সব কিছু ঠিকঠাক চললে বিজেপি রাজ্য থেকে জিততে পারে ২৬ টি আসন।
সেই আসনগুলির মধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে রয়েছে, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, মালদা উত্তর। দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে রয়েছে, কৃষ্ণনগর, বনগাঁ, বারাসত, ব্যারাকপুর, দমদম, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, হাওড়া, শ্রীরামপুর, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, আসানসোল, বোলপুর।
২০১৪ সালে রাজ্য থেকে মাত্র দুটি আসনে জিতেছিল বিজেপি। আসানসোল এবং দার্জিলিং। ইতিমধ্যেই এই দুটি আসন-সহ ২২টি আসন নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির তরফে বলা হচ্ছে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আসন সংখ্যা ২৬ পৌঁছে যাবে।
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি রাজ্যে আসলে সাংগঠনিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সভাপতির পরামর্শও নেওয়া হবে।
তবে ইতি মধ্যেই বিজেপির এই দাবি নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং দক্ষিণবঙ্গে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম বাদ দিলে কোথাও তেমন সুবিধা করতে পারেনি বিজেপি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের প্রায় ৭৭ হাজার বুথের একটা বড় অংশে একজন করে লোকও জোগার করতে পারেনি কেন্দ্রের শাসক দল। যদিও রাজ্য সভাপতির সাফাই, সব বুথেই বিজেপি কর্মীরা রয়েছেন। কিন্তু শাসকদলের ভয়েই তাঁরা সামনে আসতে ভয় পাচ্ছেন।
অন্যদিকে, বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা শুরু করা হলেও, বুদ্ধিজীবীদের নানা মন্তব্যে, বিজেপি সেই প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications