পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা ছোড়ার অভিযোগ, হাওড়া ময়দানে আটক বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার
পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা ছোড়ার অভিযোগ, হাওড়া ময়দানে আটক বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার
শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে আটক করল পুলিশ। প্রিজন ভ্যােন তাঁকে তুলে িনয়ে যাওয়া হয়েছে। তার আগে হাওড়া ময়দনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন তিিন। পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা মারার অভিযোগ করেন সুকান্ত মজুমদার।

আটক সুকান্ত মজুমদার
সকালেই মিছিল শুরুর আগেই আটক করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। দুপুর গড়াতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও আটক করে পুলিশ। হাওড়া ময়দানে অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন তিিন। সেখান থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়। প্রিজন ভ্যানে করেই সুকান্ত মজুমদারকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপি কর্মীদের মনোবল ভাঙতেই মূলত শুভেন্দু এবং সুকান্ত মজুমদারকে আটক করা পুলিশের। এমনই মনে করা হচ্ছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা মারার অভিযোগ
পুলিশের বিরুদ্ধে বোমা মারার অভিযোগ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। হাওড়া স্টেশন থেকে মিছিল শুরু করেছিলেন তিনি। হাওড়া ব্রিজে ওঠার আগে বঙ্গবাসী মোড়ে পুলিশ তাঁদের মিছিল আটকায়। পুিলশের সঙ্গে রীতিমত ধস্তাধস্তি শুরু হয় িবজেপি কর্মী সমর্থকদের। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বোতল ছোড়ার অভিযোগ। পাল্টা কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। তার পরেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেছেন, 'পুলিশ বোমা ছুড়ছে, বোমার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। আমার ঘাড়ে লেগেছে, ঘাড়ে প্রচন্ড ব্যথ্যা। আইন মেনেই আমরা আন্দোলন করছিলাম, কিন্তু পুলিশই বাধা দিয়েছে।'

আটক শুভেন্দু অধিকারী
সকালে সাঁতরাগাছি পৌঁছনোর আগেই শুভেন্দু অধিকারীকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা হয় শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং রাহুল সিনহাকেও আটক করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। হঠাৎই বিজেপি কর্মীরা লাল বাজারে ঢুকে পড়ে িবক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

এমজি রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন
বিজেপি কর্মীরা এমজিরোডেও তুমুল বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন। পুলিশের পিসিআর ভ্যান ভাঙচুর করা হয়। তারপর তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের টুপিেতও আগুন ধরিয়ে দেয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বেশ কিছুক্ষণ রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল এমজি রোড। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দমকল গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে নইলে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত এমজি রোডে।












Click it and Unblock the Notifications