স্বপ্নপূরণ মানসের, তাঁর গরিব-খানায় পাত পেড়ে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন অমিত শাহ
নকশালবাড়ির মাহালি পরিবারের পর এবার কাশীপুরের অন্ধকার গলির মানস সেনের বাড়িকেই তিনি বেছে নিলেন মধ্যাহ্নভোজের জন্য।
ফের এক গরিবখানায় পাত পেড়ে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। নকশালবাড়ির মাহালি পরিবারের পর এবার কাশীপুরের অন্ধকার গলির মানস সেনের বাড়িকেই তিনি বেছে নিলেন মধ্যাহ্নভোজের জন্য। একেবারে মাটিতে আসন পেতে বসে মাটির থালায় পাত পেড়ে বাঙালি খাবার খেলেন বিজেপির সেকেন্ড ইন কম্যান্ড।

প্রাণের নেতাকে নিজের বাড়িতে পেয়ে আপ্লুত মানস। আনন্দের সীমা নেই তাঁর। অমিত শাহ আসবেন। তাই দু-দিন ধরে পরিপাটি করে ঘর সাজিয়েছেন। গেরুয়া বেলুন লাগিয়েছেন ঘরের দরজায়। সাধ্যমতো মধাহ্নভোজের আয়োজন করেছেন। টিপিক্যাল বাঙালি খাবার বলতে যা বোঝায়, তা যত্ন সহকারে রেঁধেছেন মানসের মা মণিকাদেবী।


নিরামিষ মেনু। ভাত, মুগ ডাল, শুক্ত, পাঁচ রকমের ভাজা, ঝিঙে-আলু পোস্ত, আলু-পটলের দম। শেষ পাতে চাটনি, দই, মিষ্টি। সেইসঙ্গে ফলের তালিকায় ছিল পেঁপে, আপেল, শসা, তরমুজ, বেদানা, পেয়ারা। অমিত শাহ বাড়িতে আসার পরই শরবত দেওয়া হয় তাঁকে। তারপরই মধ্যাহ্নভোজে বসেন। মাটিতে বসে তিনি মাটির থালার খাবার খান।


কাশীপুর লকগেট রোডের ঘিঞ্জি এলাকায় বাড়ি মানসের। এই বাড়িতে ঠিকভাবে প্রবেশ করে না রাস্তার আলো। পরিবারের অবস্থা আদৌ আহামরি নয়। ছোট্ট এক চিলতে ঘর। তার মধ্যেই সাধ্যমতো বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতির আপ্যায়নের ব্যবস্থা করেছে সেন পরিবার।


বিজেপির এক সাধারণ কর্মী মানস সেন। এদিন স্বপ্নপূরণ হল তাঁর। স্বপ্ন দেখতেন, একদিন তাঁর বাড়িতে আসবেন অমিত শাহ। সেই স্বপ্ন আজ সত্যি হল। যখন শুনলেন অমিতজি তাঁর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন, আনন্দ ধরে রাখতে পারেননি মানস। আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। এদিন অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও উত্তরপ্রদেশের এক নেতাও মানসের বাড়িতে পাত পেড়ে খান।












Click it and Unblock the Notifications