ফের তথাগত রায়ের নিশানায় অমর্ত্য সেন! কবিতার মাধ্যমে কদর্য আক্রমণ বিজেপি নেতার
বিশ্বভারতীর জমি কাণ্ড নিয়ে তথাগত রায়ের নিশানায় অমর্ত্য সেন। নাম না করে প্যারোডি কবিতায় তিনি আক্রমণ করেছেন।
কদর্য ভাষায় নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে নিশানা করলেন বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়। নাম না করে অমর্ত্য সেনকে আক্রমণ করে তিনি এক কবিতার আশ্রয় নিয়েছেন। যদিও সেই কবিতার দায় তিনি নেননি।
|
অমর্ত্য সেন হারামি, চোর
বিশ্বভারতীর জমি কাণ্ড নিয়ে এখন চলছে ভাষা সন্ত্রাস। এদিন সকালে বিজেপি নেতা তথাগত রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি প্যারোডি কবিতা শেয়ার করেন। সেই কবিতা তিনি জনৈক গোপাল সোমের থেকে হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া বলে উল্লেখ করেছেন। গোপাল সোম নামে এই ব্যক্তি কবিগুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের দুই বিঘা জমিন কবিতার প্যারোডি লিখেছেন। কবিতা বিশ্বভারতী এবং অমর্ত্য সেনের মধ্যে চলা জমি বিতর্কের প্রেক্ষাপট নিয়ে।
|
টুইটে সাফাই
তথাগত রায় এই কবিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতেই শুরু হয় বিতর্ক। ফের একবার তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই মুখ খোলেন। তারপরেই এর সাফাই দিয়ে তথাগত রায় ফের করা আরেকটি টুইটে সাফাই দিয়ে বলেন, কবিগুরুর 'দুই বিঘা জমি' কবিতার একটি প্যারোডিতে অনবদ্য ছন্দটা ভাল লেগেছিল। তাই তিনি সেটা টুইট করেছিলেন। এই কবিতার এক ফোঁটা কৃতিত্বও তাঁর নয়, বোধ হয় জনৈক গোপাল সোমের।

সরকার ও বিশ্বভারতীর লড়াই
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের বাড়িতে গিয়ে, তাঁর হাতে জমি সংক্রান্ত সরকারি নথি তুলে দিয়ে দাবি করেছিলেন বিশ্বভারতীর দাবি ভুল। কাউকে এভাবে অপমান করা যায় না। বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বিশ্বভারতীয় বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতও তিনি করেছিলেন। পাল্টা বিশ্বভারতীর উপচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে কাগজ দিয়েছিলেন, তা প্রাসঙ্গিক নয়। অমর্ত্য সেনকে সম্মান করার কথা জানিয়ে তিনি বিষয়টিকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার আবেদন করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে তিনি বলেছিলেন, তিনি কান দিয়ে দেখেন। স্তাবকরা যা বলেন, তাই তিনি বিশ্বাস করেন।
|
আগেও নিশানায় অমর্ত্য সেন
তবে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই নয়, এবছরের শুরুতেই তথাগত রায়ের নিশানা ছিলেন অমর্ত্য সেন। অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে। এছাড়াও তিনি বলেছিলেন, বিজেপির মূল লক্ষ্য হল সংখ্যালঘুদের ভূমিকাকে কমিয়ে ফেলা এবং তাঁদেরকে গুরুত্বহীন করে দেওয়া। এরপরেই তথাগত রায় টুইট করে বলেছিলেন, এই ব্যক্তিটি ঢাকার স্কুলে যেত। হিন্দু হওয়ার কারণে তাঁদের পরিবারকে সেই সময়কার পূর্ব পাকিস্তান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি (অমর্ত্য সেন) কখনই নিপীড়ন নিয়ে মুখ খোলেননি।












Click it and Unblock the Notifications