দলের প্রাক্তন হেভিওয়েট ফিরতে পারেন তৃণমূলে! সংবাদ মাধ্যমের খবরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা

মুকুল রায় কি ফিরতে চলেছেন তৃণমূলে। বেশ কিছুদিন ধরেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

মুকুল রায় কি ফিরতে চলেছেন তৃণমূলে? বেশ কিছুদিন ধরেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। তবে এই প্রশ্ন আবার নতুন করে জোরদার হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার পর থেকে। যদিও সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এই খবরের প্রতিবাদ করেছে রাজ্য বিজেপি। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুকুল রায়ও।

২০১৯-এর আগেই দলের প্রাক্তন হেভিওয়েট ফিরতে পারেন তৃণমূলে! রাজনৈতিক মহলে জল্পনা

দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ছয়বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কারের পর বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। বিজেপিও খুব আশা করেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বাসযোগ্য সেনাপতি মুকুল রায় দলে যোগ দিলে, অন্তত সংগঠনের দিক থেকে লাভবান হবে তারা। বিজেপি রাজ্যে রাজনৈতিক দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থায় পৌঁছে যাবে বলে আশা করেছিল সর্বোচ্চ নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, মুকুল রায় বিজেপিকে কোনও সুবিধা করে দিতে পারেননি। এর ওপর রাজ্য বিজেপিতে ক্ষমতার একাধিক কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। ফলে মুকুল রায়ের কাজেও অসুবিধা হচ্ছে। সেজন্য মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তাঁরা। এমনটাই জানিয়েছিল ওই সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম।

মুকুল রায়ের তৃণমূলে ফেরার সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়েছে, যখন মুখ্যমন্ত্রী বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে দেখতে যান, তারপর থেকে। বাবা বিজেপিতে গেলেও, ছেলে তৃণমূলেই থেকে যান।

ওই সর্ব ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া খবর অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তখন সেখানে ছিলেন মুকুল রায়। তবে তাঁদের মধ্যে কোনও বৈঠক হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। সৌজন্যের খাতিরেই তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্বও খুব ভাল করে জানেন ২০১৯-এর নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি আসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেইজন্য রাজ্যের দিকে নজর দিয়েছেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কোনও দিনই শক্তিশালী না হলেও, ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে রাজ্যে বিজেপির ভোট বেড়েই চলেছে। আস্তে আস্তে তারা বিরোধীদলের জায়গায় যাচ্ছে এবং কোনও কোনও জায়গায় তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জও জানাচ্ছে।

ওই সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া খবর অনুযায়ী, পঞ্চায়েত ভোটের আগে যত সংখ্যক মানুষের মধ্যে পৌঁছনোর ব্যাপারে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিয়েছিলেন সভাপতি অমিত শাহ, সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনো যায়নি। এছাড়াও রাজ্য বিজেপির নেতাদের মধ্যে যোগাযোগের অভাব, দ্বন্দ্ব নিয়েও রিপোর্ট জমা পড়েছে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছে।

এই পরিস্থিতিতে মুকুল রায়ের মতো ব্যক্তি এই ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারেন বলেই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। যেটা তিনি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলে করে এসেছিলেন। যদি এই মুহুর্তে মুকুল রায় দল ছাড়েন, তাহলে সেই ঘটনা হবে রাজ্য বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা।

সম্প্রতি, প্রাক্তন রাজ্যসভার সদস্য ও বিজেপি নেতা চন্দন মিত্র তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এই খবরের প্রতিবাদ করেছে রাজ্য বিজেপি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ পত্রও পাঠিয়েছে তারা।

২০১৯-এর আগেই দলের প্রাক্তন হেভিওয়েট ফিরতে পারেন তৃণমূলে! রাজনৈতিক মহলে জল্পনা

২০১৯-এর আগেই দলের প্রাক্তন হেভিওয়েট ফিরতে পারেন তৃণমূলে! রাজনৈতিক মহলে জল্পনা

এই খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুকুল রায় নিজেও।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+