তৃণমূলের সংগঠনে 'হানা'! 'ঘুঘুর বাসা'র বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার হুঁশিয়ারি মুকুলের
এবার কি ভাঙন তৃণমূলের চিকিৎসক শিবিরে। মুকুল রায়ের দাবি মতো এমনটাই উঠে এসেছে। তাঁর দাবি, রাজ্যের চিকিৎসক মহলের একটা বড় অংশ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হতে চান।
এবার কি ভাঙন তৃণমূলের চিকিৎসক শিবিরে। মুকুল রায়ের দাবি মতো এমনটাই উঠে এসেছে। তাঁর দাবি, রাজ্যের চিকিৎসক মহলের একটা বড় অংশ বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হতে চান। ইতিমধ্যেই মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অরুণকুমার ঘোষ।

রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অযাচিত হস্তক্ষেপ হয়ে চলেছে। কাজ করতে পারছেন না চিকিৎসকরা। এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ২০১১-তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েকদিনের মধ্যে কলকাতায় কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বদলি করে দেওয়া হয়েছিল শহর ও শহরতলির বিভিন্ন হাসপাতালে। যাঁদের মধ্যে ছিলেন বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অরুণ সিং। পরবর্তী পর্যায়ে রাজ্য ছাড়ার পর অন্য রাজ্যে গিয়ে স্বাচ্ছ্বন্দ্যে কাজ করছেন তিনি। হাসপাতালের পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিতর্কের জেরে শাস্তির কোপে পড়েন বিশিষ্ট চিকিৎসক শ্যামাপদ গড়াই। এই তালিকাটা অনেকটাই দীর্ঘ।
এছাড়াও পিজির ডায়ালিসিস ইউনিটে কুকুরের ডায়ালিসিস করানোর চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল। তৃণমূলের চিকিৎসক সেলের তরফে নির্মল মাঝি এবং শান্তনু সেনের মতো চিকিৎসক নেতারা ছড়ি ঘোরাচ্ছেন বলে অভিযোগ। ফলে অনেকেই সম্মান নিয়ে কাজ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এপ্রসঙ্গে মুকুল রায়ের অভিযোগ রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর হল ঘুঘুর বাসা। অনেকেই সম্মানের সঙ্গে কাজ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন মুকুল রায়। চিকিৎসায় হস্তক্ষেপ মানতে নারাজ চিকিৎসকরা বিজেপি ছাতার তলায় আসতে চলেছেন বলে জানিয়েছেন মুকুল রায়। সাধারণ মানুষের মতো চিকিৎসকরাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications