দুর্নীতির অভিযোগ করেও TMC MP-র বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের আর্জি BJP নেতার! আবেদন খারিজ হাইকোর্টে
অভিযুক্ত সাংসদ হতেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের আর্জি হাইকোর্টে। যদিও হাইকোর্ট সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেছে, আবেদনকারী সরলেও আদালত সরতে পারে না। প্রসঙ্গত, সরকারি প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছিল নবনির্বাচিত তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে।
বিচারপতি অমৃতা সিনহা আবেদনকারীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। উপরন্তু তদন্তের অগ্রগতি কী, তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। আগামী ৯ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিনই পুলিশকে তদন্তের সাপেক্ষে রিপোর্ট দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের আগে একাধিক সরকারি প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছিল মথুরাপুরের প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান ও তাঁর স্বামী বাপি হালদারের বিরুদ্ধে। মামলা করেছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতা অনুপকুমার মিস্ত্রী। লোকসভা ভোটে জিতে অভিযুক্ত বাপি হালদার এখন তৃণমূলের সংসদ।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছিল লোকসভা নির্বাচনের আগে। ওই পঞ্চায়েত বর্তমানে বিজেপির দখলে এবং তার প্রধান অনুপকুমার মিস্ত্রি। ওই পঞ্চায়েত যখন তৃণমূলের দখলে ছিল, সেই সময় পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি হালদার এবং তাঁর স্বামী বাপি হালদার টাকা নয়ছয় করেন বলে অভিযোগ।
বাপি হালদারের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন মামলাকারি বিজেপি নেতা অনুপকুমার মিস্ত্রী। কিন্তু আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের টাকা নয়ছয়ের মতো অভিযোগ রয়েছে। তাই মামলাকারি সরে গেলেও আদালত মনে করলে স্বতঃপ্রণোদিত এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

এই মামলায় অভিযোগ দায়ের করতে দেরি হওয়ায় মথুরাপুর থানার ওসিকে শোকজ করেছিল আদালত। এব্যাপারে বিচারপতি জানতে চেয়েছেন কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেই সংক্রান্ত নথিই বা কোথায়।
আদালতের আরও মত, মামলাকারী হয়তো প্রভাবশালীর পক্ষে যেতে পারেন, বা তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু আদালত তো মানুষের ক্ষতি দেখে চুপ করে থাকতে পারে না। এব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা অভিযুক্ত সাংসদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications