মাহেশ্বরী ভবনের ভিতরে BJP-র কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা, বাইরে বোমাতঙ্ক! সব ভোটে সন্ত্রাস কেন, প্রশ্ন রবিশঙ্করের
রাজ্যে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগের মধ্যে রাজ্যে এসেছে বিজেপি চার সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তাঁরা এদিন মধ্য কলকাতার মাহেশ্বরী ভবনে গিয়ে সেখানে আশ্রয় নেওয়া ঘরছাড়াদের সঙ্গে কথা বলেন। এদিকে যখন বিজেপি নেতা মাহেশ্বরী ভবনের মধ্যে সেই সময় বাইরের রাস্তার ডিভাইডারের ওপরে গোলাকার বস্তুকে দেখে বোমাতঙ্ক তৈরি হয়।
বিজেপির এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি তথা রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ কবিতা পাতিদার।

রবিবার রাতে বিজেপির প্রতিনিধিদল কলকাতায় আসে। তারপরে তাঁরা চলে যান মাহেশ্বরী ভবনে। সেখানে তাঁরা ঘরছাড়াদের সঙ্গে কথা বলেন। বিজেপি সূত্রে খবর, রাতে কলকাতায় কাটিয়ে বিজেপির প্রতিনিধিদল সোমবার সকালে যাবে কোচবিহার।
এদিন মাহেশ্বরী ভবনে ঘরছাড়াদের সঙ্গে কথা বলার পরে রবিশঙ্কর প্রসাদ সরাসরি তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, মহিলা থেকে শিশু কাউকেই রেহাই দিচ্ছে না তৃণমূলের গুণ্ডারা। সব ভোটে সন্ত্রাস কেন, সেই প্রশ্ন করেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট দেওয়ার পরে বাড়িতে ফিরতে পারছেন না অনেকেই। মাহেশ্বরী ভবনের বাইরে রাস্তার ডিভাইডজারে বম্ব রাখা নিয়ে তিনি বলেন, এইভাবে তাঁদেরকে ভয় দেখানো যাবে না।
প্রসঙ্গত, বিজেপির প্রতিনিধিদল মাহেশ্বরী ভবনে ঢোকার পরে গোলাকার বস্তুকে ঘিরে আতঙ্ক ছড়ায়। কলকাতা পুলিশের বম্ব স্কোয়াড গিয়ে সেখান থেকে গোলাকার বস্তুটিকে উদ্ধার করে।
ইতিমধ্যে কোচবিহার থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার কথা জেনে এসেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিষয়টি নিয়ে তিনি এদিন দেখা করেন রাজ্যপালের সঙ্গে। সেই কোচবিহারেই সোমবার যাচ্ছে বিজেপির প্রতিনিধি দল।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিনিধি দলের প্রথমে যাওয়ার কথা ছিল দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। সোমবার তাঁদের যাওয়ার কথা ছিল ডায়মন্ডহারবারে। কিন্তু ইদের কারণে তাঁরা সোমবার উত্তরবঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিজেপি নেতার সোমবারেই উত্তরবঙ্গ থেকে ফেরত আসবেন বসে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁরা ডায়মন্ডহারবার, জয়নগর ও বসিরহাটে যেতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications