Bird Flu: শহরে বার্ড ফ্লুর থাবা, H9N2 ভাইরাসে আক্রান্ত ২ শিশু
বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণ ধরা পড়ল কলকাতা শহরে। এক শিশুর শরিরে মিলেছে সংক্রমণ। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর বার্ড ফ্লয়ে সংক্রমিত ওই শিশু হাসপাতালে ভর্তি। পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে তার শরীরে N9H1 ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে গত ১১ জুন বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণ মানব দেহে ছড়াতে পারে বলে জানানো হয়। তারপরেই বিশ্বের সব দেশকে এই নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে প্রথম মানব দেহে বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণ ধরা পড়ে। অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছিল শিশুটি এবং তার পরিবার।

ইতিমধ্যেই দুই শিশুর শরীরে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ মিলেছে। এক শিশুর শরীরে N5H1 ভাইরাল আরেক শিশুর শরীরে H9N1 ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। N5H1ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুর পরিবার জানিয়েছে তাঁরা অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরার পরেই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল শিশুটি।
জানা গিয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ থেকে ১৯ তারিখ পর্যন্ত শিশুটি পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল। তার পরে ১ মার্চ তারা ফিরে আসেন কলকাতায়। পশু-পাখির শরীর থেকে বার্ড ফ্লু মানব দেহে সংক্রমণ ঘটাতে পারে সেকথা নিশ্চিত করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। চিকিৎসকদের অনুমান অস্ট্রেলিয়া থেকেই শিশুটির শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। আড়াই বছর শিশুটির বয়স শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।
পরিবারের লোকেরা জানিয়েছে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকেই শিশুটি অসুস্থ ছিল। হালকা জ্বর, সর্দিকাশি তার সঙ্গে পেট খারাপ। খিদে না পাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। তারপরেই চিকিৎসকরা তার পরীক্ষা করান এবং শিশুটির শরীরে বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণ ধরা পড়ে। এই ভাইরাসের সংক্রমণ অস্ট্রেলিয়া থেকেই এসেছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান চিকিৎসকদের।
তারপরে আবার চার বছরের এক শিশুর শরীরে বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণ ধরা পড়েছে তার শরীরে। তাঁর শরীরে আবার N9H1ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। শরীরে জ্বর নিয়ে শহরের একটি হাসপাতালের ICU-েত ভর্তি রয়েছে শিশুটি। পল্ট্রি ফার্মের সংস্পর্শে ছিল শিশুটি এমনই জানা গিয়েছে। প্রচণ্ড জ্বর এবং পেটে ব্যাথা নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২০১৯ সালে প্রথম ভারতে N9H1 ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।
যে চার বছরের শিশুর শরীরে বার্ড ফ্লুয়ের সংক্রমণ ধরা পড়েছে সে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দা। তাঁদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তাঁদের নজরে রাখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতর এবং প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দফতর যৌথভাবে নজরদারি চালাচ্ছে। কারা কারা এই সংক্রমিত শিশু দুটির সংস্পর্শে এসেছিল তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications