মদন তামাংয়ের মামলায় চাপে বিমল গুরুং, নাম অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ হাইকোর্টের
ফের সমস্যায় পড়লেন পাহাড়ের নেতা বিমল গুরুং। গোর্খা লিগ সভাপতি মদন তামাংয়ের খুনে নাম জড়িয়েছিল বিমল গুরুংয়ের। নিম্ন আদালতে মামলাও চলেছে দীর্ঘদিন। সেই খুনের মামলাতেই বিমল গুরুংয়ের নাম যোগ করতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
খুনের মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেই তদন্তে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুংয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

গোর্খা লিগের নেতা মদন তামাং হত্যা মামলায় নয়া মোড়। বিমল গুরুংকে খুনের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ হাইকোর্টের।
সিবিআই খুনের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হল বুধবার। বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধেও চার্জফ্রেম গঠনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে নির্দেশ বিচারপতি শুভেন্দু সামন্তর।
২০১৭ সালের নগর দায়রা আদালতের নির্দেশ বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সময় নিম্ন আদালত এই খুনের মামলায় বিমল গুরুংকে অব্যাহতি দিয়েছিল। কিন্তু ফের এই মামলায় বিমল গুরুংয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত হল।
ভারতী তামাং ও সিবিআইয়ের আবেদন এদিন মঞ্জুর করল হাইকোর্ট।
মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের স্বস্তি দিয়েছিল নিম্ন আদালত। মামলা থেকে একমাত্র অব্যাহতি পান মোর্চা সুপ্রিমো। বাকি ৪৭ জনের বিরুদ্ধে অবশ্য চার্জ গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল নগর দায়রা আদালত। যার মধ্যে ছিলেন বিমল গুরুংয়ের স্ত্রী আশা গুরুং, রোশন গিরির মতো নেতারা। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।
২০১০ সালের মে মাসে দার্জিলিংয়ে রাস্তার উপর খুন হয়েছিলেন মদন তামাং। তিনি সভা করতে যাচ্ছিলেন৷ সেই সময় পাহাড়ের রাজনৈতিক অবস্থা অস্থির ছিল। মদন তামাং খুন হওয়ার খবরে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল পাহাড়ে।
পুলিশ তদন্তে নেমে অন্যতম অভিযুক্ত নিকল তামাংকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে গিয়েছিল নিকল। ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে নাম জড়ায় বিমল গুরুংয়ের। যদিও পরে তিনি নিম্ন আদালতের নির্দেশ স্বস্তি পেয়েছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications