আনুষ্ঠানিকভাবে কলকাতা পুলিশের অধীনে আসছে ভাঙড়! মঙ্গলবার চার থানার উদ্বোধন CM মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
ঘোষণা হয়েছিল ২০২৩-এর জুলাইয়ে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাঙড়কে কলকাতা পুলিশের অধীনে আনার কথা বলেছিলেন। এবার তাই খাতায় কলমে হতে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের অধীনে ভাঙড়ের চারটি থানার উদ্বোধন করতে চলেছেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে হবে এই অনুষ্ঠান।
ভাঙড়ে ছিল দুটি থানা। ভাঙড় ও উত্তর কাশীপুর। কলকাতা পুলিশে অধীনে আসার সময় আরও দুটি থানা যুক্ত করা হচ্ছে। সেগুলি হল পোলের হাট ও চন্দনেশ্বর। উদ্বোধনের আগে চারটি থানাতেই প্রস্তুতি তুঙ্গে। শনিবার রাতে চারটি থানা এলাকায় কলকাতা পুলিশের লাঠি, হেলমেট, ওয়াকিটকি-সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে থানাগুলিতে কলকাতা পুলিশের ফোর্স ঢোকার কথা রয়েছে।

রবিবার সকালে চারটি থানা পরিদর্শনে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। ভাঙড়ের জন্য ইতিমধ্যে ডেপুটি কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে আইপিএস সৈকত ঘোষকে। কলকাতা পুলিশের অধীনে ভাঙড়ের জন্য আলাদা ডিভিশন তৈরি করা হয়েছে।
ভাঙড় কমবেশি উত্তপ্ত ছিল বেশ কয়েকবছর ধরে। কখনও বিরোধীদের সঙ্গে তৃণমূল আবার কখনও তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূল লড়াই লেগেই থাকত। যা আরও বৃদ্ধি পায় গত বিধানসভা নির্বাচনে নৌসাদ সিদ্দিকি জিতে যাওয়ার পর থেকে। আর হিংসা ছড়ায় গত পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর পর।
সেই সময় তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। যা চলে নির্বাচনের দিন এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরেও। রাজনৈতিক হিংসায় বেশ কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। এরপর সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে গত জুলাইয়ে ভাঙড়কে কলকাতা পুলিশে অধীনে আনার সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এরই মধ্যে অবশ্য ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম তার পুত্র হাকিমুল ইসলামকে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন আইএসএফের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন। তবে বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। এই মুহূর্তে আরাবুল ও তাঁর পুত্র হাকিমুল সরকারি নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন।












Click it and Unblock the Notifications