২০১৯-এ ‘সহানুভূতি ভোট’ আদায় লক্ষ্য বঙ্গ বিজেপির, বাজপেয়ী-আবেগে শান দেওয়া শুরু
বড় লড়াই ২০১৯-এ। আর সেই লড়াইয়ের কথা মাথায় রেখে সহানুভূতি ভোট আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করে দিল রাজ্য বিজেপি। বাজপেয়ী আবেগ কাজে লাগানোর প্রস্তুতি সারা।
বড় লড়াই ২০১৯-এ। আর সেই লড়াইয়ের কথা মাথায় রেখে সহানুভূতি ভোট আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করে দিল রাজ্য বিজেপি। বাজপেয়ী আবেগ কাজে লাগিয়ে এবার লোকসভায় লক্ষ্যপূরণ করতে যখন তৎপর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, তখন দিলীপ ঘোষরাও যে পিছিয়ে থাকবেন না, তা বলাই বাহুল্য। সেইমতোই রাজ্যে এসে গেল বাজপেয়ীর চিতাভস্ম। মহা সমারোহে তা বিসর্জন গঙ্গাসাগরে।

লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী পরলোক গমন করেছেন। আর তাঁর প্রয়াণে সহানুভূতি ভোট আদায় করে বিজেপি অ্যাডভান্টেজ আদায়ে ব্যস্ত। সেই কারণেই রাজ্যের আট জায়গায় কলস রেখে মহাসমারোহে বিসর্জন পর্ব সারার কথা ভাবা হয়েছে। মূল কর্মসূচি গঙ্গাসাগরে। বৃহস্পতিবার তাই অটলের গঙ্গাসাগর যাত্রায় সামিল হবেন দিলীপ ঘোষরা।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা ভারতরত্ন অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রয়াণের পর তাঁর চিতাভস্ম দেশের সমস্ত রাজ্যের নদীতে বিসর্জন দেওয়ায় সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। এ ব্যাপারে সমস্ত রাজ্য সভাপতিকে দিল্লিতে তলব করেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সেইমতে দিল্লি থেকে বাজপেয়ীর অস্শি-কলস আনেন দিলীপ ঘোষ।
অটলবিহারীর অন্ত্যেষ্টির পরই রাজ্য নেতৃত্বের তরফে সিদ্ধান্ত হয়েছিল গঙ্গাসাগরে বিসর্জন দেওয়া হবে চিতাভস্ম। সেইমতো কর্মসূচি প্রস্তুতও হয়েছিল। সোমবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের নির্দেশ আসার পর দিলীপ ঘোষ দিল্লি ছোটেন। এদিনই কলকাতায় এসে পৌঁছেছে বাজপেয়ীর চিতাভস্মের কলস। বিমানবন্দর থেকে সুসজ্জিত ট্যাবলোয় শোভযাত্রা করে আনা হয় চিতাভস্ম।
বৃহস্পতিবার এই চিতাভস্ম ভাসানোর পরই বাজপেয়ীর স্মরণসভা করা হবে রাজ্য বিজেপির উদ্যোগে। রাজ্য বিজেপির ডাকে বাজপেয়ীর স্মরণসভা হতে চলেছে সর্বদলের মিলনক্ষেত্র। এই স্মরণসভায় প্রতিটি দলকেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। এমনকী আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। আমন্ত্রণ জানানো হবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকেও।












Click it and Unblock the Notifications