তৃণমূল সরকার ও মমতার বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ নিয়ে রাজ্যপালের কাছে দরবার বিজেপির
রাজ্যপালের কাছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২টি অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে বাংলা হচ্ছে। সেই নিয়ে রাজ্য মন্ত্রিসভা সম্মতি জানিয়েছে। এই নাম বদল না পসন্দ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের। তা নিয়ে এদিন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানিয়ে এল দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল। তবে মূল অভিযোগ ছিল অসমের নাগরিকপঞ্জী নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান।

দিলীপ ঘোষরা জানিয়েছেন, এনআরসি ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতিবাচক অবস্থান নিয়েছেন। মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করছে। ভোট রাজনীতির কথা মাথায় রেখেই একাজ করা হচ্ছে। সেই উদ্দেশ্যেই অসমে প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়েই রাজ্যপালের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানানো হয়েছে।
ঘটনা হল, এদিন অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জীকরণ ইস্যুতে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে ও সেরাজ্যের মানুষের পাশে দাঁড়াতে সাংসদদের একটি দল পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের একদল প্রতিনিধি অসম বিমানবন্দরে নামতেই পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। সেখানেই ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়। মারধর ও নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। শুক্রবার তাঁদের বিমানে এরাজ্যে ফেরত পাঠানো হবে।
যার প্রতিবাদে বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করে মমতা জানান, দেশে সুপার এমার্জেন্সি চলছে। যদি সত্যিই অসমের পরিবেশ শান্ত থাকে তাহলে কেন ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে? তৃণমূলের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল অসমে গিয়েছিলেন। বিমানবন্দরেই অসভ্যতা করা হয়েছে। এঁরা সকলেই বিশিষ্ট মানুষ, জন প্রতিনিধি। মহিলাদেরও হেনস্থা করা হয়েছে।
পাল্টা রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, শান্ত অসমে গোলমাল পাকিয়ে অশান্ত করতে তৃণমূল সাংসদরা গিয়েছিলেন। সেই অশান্তি যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য বিমানবন্দরেই তাঁদের আটকে শান্ত করার চেষ্টা হয়। শুক্রবারই অসমের চা খাইয়ে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে।












Click it and Unblock the Notifications