বিজেপিকে বাঁচাতে চাই সুব্রতকে, অমিতাভের অপসারণ চেয়ে পোস্টার এবার সদর দফতরেই
বঙ্গ বিজেপিকে বাঁচাতে প্রাক্তন সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে ফেরানোর দাবির সমর্থনে জেলায় জেলায় পোস্টার পড়তে শুরু করেছিল দুদিন আগে থেকেই। এবার বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে একই দাবিতে পড়ল হোর্ডিং ও ব্যানার।
বঙ্গ বিজেপিকে বাঁচাতে প্রাক্তন সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে ফেরানোর দাবির সমর্থনে জেলায় জেলায় পোস্টার পড়তে শুরু করেছিল দুদিন আগে থেকেই। এবার বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে একই দাবিতে পড়ল হোর্ডিং ও ব্যানার। পোস্টারে লেখা বিজেপিকে বাঁচাতে চাই সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে।

বঙ্গ বিজেপিতে সাংগঠনিক কোন্দল আবার শুরু হয়ে গেল পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে। বর্তমান রাজ্যং নেতাদের উপর অনাস্থা জানিয়ে ফের পড়ল পোস্টার। শুক্রবার নদিয়া-সহ শহরতলির একাধিক জেলায় এই পোস্টার পড়েছিল, যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে গেরুয়া শিবির। এবার একেবারে রাজ্য বিজেপি দফতরের সামনে দেওয়া হল ব্যানার-হোর্ডিং পড়ল।
শনিবার বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে লাগানো ব্যানার ও হোর্ডিংয়ে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যাগয়কে ফেরানোর দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি আরএসএসের বড় দায়িত্বে রয়েছেন। সুব্রত চট্টোপাধ্যাজয়কে ফিরিয়ে আনার দাবির সমর্থনে বলা হয়েছে, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে যে ১৮টি আসন বিজেপি পেয়েছিল তার পিছনে অগ্রনী ভূমিকা নিয়েছিলেন সুব্রতবাবু।
বিজেপির একাংশের দাবি, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে দিলীপ ঘোষ ও সুব্রত চট্টোপাধ্যা য় জুটির হাত ধরেই সাফল্যছ পেয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। কিন্তু দিলীপ ঘোষ ও সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে বাংলায় দলের দায়িত্ব থেকে সরানোর পরই বঙ্গ বিজেপিতে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চরমে ওঠে। দুর্বল হয় সংগঠন। বর্তমান রাজ্যত সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীদের নেতৃত্বকে অযোগ্যস বলে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের অনেকেই। রাজ্যত বিজেপিতে এই ইস্যুতে কোন্দলও তীব্র আকার নেয়।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের হারের পর এই দেড় বছরে আদি-নব্যি দ্বন্দ্বে জর্জরিত পদ্মশিবির। এই পরিস্থিতি ফের সুব্রত চট্টোপাধ্যােয়ের মতো অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে সংগঠনে আনার দাবি তুলে দিয়ে বিজেপির বাঁচানোর পন্থা জানিয়েছেন একাংশ। দিলীপ-সুব্রত জুটি রাজ্যে দলের সংগঠনকে বাড়িয়ে ছিলেন, শক্তিশালী করে তুলেছিলেন বলে দাবি করে আদি বিজেপি নেতা-কর্মীরা এই আওয়াজ তোলেন।
সেই সমর্থনে আওয়াজ এবার এসে পৌঁছল বিজেপির সদর দফতরে। সুব্রত চট্টোপাধ্যা য়ের ছবি দিয়ে পোস্টার লাগিয়ে তাঁকে রাজ্যর বিজেপির সংগঠনে ফিরিয়ে আনার দাবি তোলা হল। একইসঙ্গে বর্তমান রাজ্যল নেতৃত্ব বদলের দাবিও উঠেছে দলের মধ্যে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় স্পষ্টতই বিব্রত গেরুয়া শিবির।
একুশের নির্বাচনের পরাজয়ের পর নেতৃত্বে বদল এসেছিল। কিন্তু নেতৃত্ব বদল হলেও হাল ফেরেনি বাংলায় বিজেপির। ঘুরে দাঁড়ানো দূর অস্ত, একের পর এক নির্বাচনে জুটেছে হার। সে উপনির্বাচন হোক বা পুরসভা নির্বাচন- একেবারে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে বিজেপিকে। বিজেপি কামব্যাকের কোনও রাস্তা বের করতে পারেনি। তাই বিজেপিতে আবার উঠে পড়েছে নেতৃত্ব বদলের স্লোগান। এবার দাবি, বঙ্গ বিজেপিতে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদ থেকে অমিতাভ চক্রবর্তী অব্যাহতি দিয়ে ফিরিয়ে আনা হোক পূর্ববর্তী সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে।












Click it and Unblock the Notifications