ছাপ্পা ভোটে বারণ, প্রৌঢ় বিজেপি এজেন্টকে ফেলে মার দমদমে, ভোট মিটতেই আক্রান্ত বিরোধীরা
গতকাল শনিবার ভোট শেষ হয়েছে। সপ্তম দফার। তারপরেই বাংলার বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে হিংসা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের খবর পাওয়া গিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। বিরোধীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি প্রার্থীদের এজেন্টদের টার্গেট করা হচ্ছে। এমনই অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
দমদম লোকসভা কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। এয়ারপোর্টের কাছে কৈখালি এলাকায় বিজেপির নির্বাচনী এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে। ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলাকায় রীতিমতো শ'খানেক ছেলে দাপিয়ে বেরিয়েছে তৃণমূলের। এমনই অভিযোগ উঠছে।

দমদম লোকসভা কেন্দ্রের রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভার বিধাননগর পুরনিগমের ৬ নং ওয়ার্ডের ১ নং বুথে বিজেপির পোলিং এজেন্ট হিসেবে বসেছিলেন নকুল ভট্টাচার্য। তিনি ভোট চলাকালীন কোনও ছাপ্পা দিতে দেয়নি রাজ্যের শাসক দলকে। এর পাল্টা হিসেবে ভোট পর্ব মিটতেই তাকে মারধর করা হল।
বুকে স্টেন বসানো ওই প্রৌঢ় বিজেপি কর্মীর। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ছাড়তেই তাকে তৃণমূলের লোকজন রাস্তায় ফেলে মারে বলে অভিযোগ।বুকে, পিঠে, পেটে যথেচ্ছ লাথি মারা হয়। তার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কলকাতার একাধিক জায়গাতেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। বেলেঘাটায় বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ের এজেন্টের উপরেও হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনায় ওই বিজেপি এজেন্টের মাথা ফেটে যায়।
দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেই হামলার ঘটনা শোনা যাচ্ছে। বিজেপির কর্মীদের উপর আক্রমণ হচ্ছে। ভয়ে অনেক বিজেপি কর্মী নিরাপদ জায়গায় লুকিয়েছেন বলে খবর। ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি ছিল দমদম, ভাঙড়, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং সহ একাধিক এলাকা।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে এইসব অভিযোগকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। বিরোধীরা হারবে। একথা তারা নিজেরাও জানে। সেই কারণে নিজেদের মধ্যেই বিবাদ তৈরি করছে। এমন দাবি করছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications