Bangladesh MP Murder: বাংলাদেশের সাংসদ খুনে নারী যোগ, উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য
কলকাতায় বাংলাদেশের সাংসদ খুনের ঘটনায় উঠে এলো এক রহস্যময়ী নারীর যোগ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন এই ঘটনায় হানিট্র্যাপ ব্যবহার করা হয়েছিল অত্যন্ত পরিকল্পনা করে। মূল অভিযুক্ত আখরুজ্জমানের বান্ধবীর যোগ উঠে আসছে এই ঘটনায়।
হানি ট্রাপ হিসেবে নিজের বান্ধবী শিলাস্তি রহমানকে ব্যবহার করেছিল আখরুজ্জমান। সাংসদ কলকাতায় আসার পর শিলাস্তি রহমানও এসেছিলেন। কলকাতার অভিজাত আবাসনে সাংসদের সঙ্গে ছিলেন তিনি। খুন হওয়ার পরেই শিলাস্তি কলকাতা ছাড়ে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

বাংলাদেশ সাংসদ খুনে ইতিমধ্যেই শিলাস্তি রহমানকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারীরা। বাংলাদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। এর আগে গতকাল রাতে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন কষাই বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। জিহাদ হাওলাদার নামে ওই ধৃত বাংলাদেশের খুলনা জেলার বাসিন্দা বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীরা।
সাংসদকে খুনের জন্য ৩ মাস আগেই তাঁকে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তিন মাস মুম্বইয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল জিহাদ। খুনের জন্য আগে থেকেই আড়াই কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল তাদের। পরিকল্পনা করে ঠান্ডা মাথায় খুনের ছক কষা হয়েছিল। এমনকী কীভাবে দেহ লোপাট করা হবে সেটা পরিকল্পনা করেই করা হয়েছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।কোন শত্রুতার কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড তা এখনও ধোঁয়াশায় রয়েছে।
তবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে হত্যা করার পর দেহ লোপাট করতে নৃশংসতার চরমে পৌঁছেছিল আততায়ীরা। কসাইকে ভাড়া করে এনে হত্যার পর সাংসদের দেহ টুকরো করে কাটা হয়। তারপরে চামড়া ছাড়িয়ে হাড় এবং মাংস আলাদা করা হয়। মাংস এবং হাড় কুচি চুচি করে কিমা করে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তারপরে সেই প্যাকেট শহরের একাধিক জায়গায় গিয়ে ফেলা হয়।
এখনও সেই দেহাংশের খোঁজ পায়নি পুলিশ। তবে ফ্ল্যাটে যাতে দুর্গন্ধ না বেরোয় তার জন্য ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। খুন করে দেহ টুকরো করার পর ফ্ল্যাটে মাংস রান্না করে পার্টি করে খুনিরা। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, যে সাংসদের দেহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ৩০ এপ্রিল অনলাইনে গাড়ি বাড়া করেছিল আততায়ীরা। সেই ক্যাব চালকের সন্ধান করছেন তদন্তকারীরা। একটি সাদা রঙের গাড়িতে দুই দফায় দেহ লোপাট করা হয়েছিল।
ভাঙড়ে দেহাংশ ফেলা হয়ে থাকতে পারে এই সন্দেহে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও অধরা দুই অভিযুক্ত সিয়াম হোসেন এবং মুস্তাফিজুর। বাংলাদেশ থেকে কষাই জিহাদকে কলকাতায় নিয়ে আসার পরে একাধিক ভুয়ো সিম ব্যবহার করা হয়েছিল। চিনারপার্ক এলাকায় বাড়ি ভাড়া করে ছিল সে। তা অগ্রিম আড়াই কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। জিহাদকে জেরা করতে কলকাতায় আসছে বাংলাদেশের পুলিশ। ইতিমধ্যেই তাঁকে বনগাঁ আদালতে তোলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications