Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রেশন দুর্নীতিতে বাকিবুর রহমান জড়িত, চালকলকে এবার বরাত দিল না রাজ্য সরকার

এক সময় তার কাছে চালকলের বরাত আসত বিনা বাধায়৷ কিন্তু বাকিবুর রহমান এখন জেলবন্দি। তাকে চালকলের বরাতও এবার আর দিল না রাজ্য সরকার। এই বিষয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে কী বলা হল?

জেলবন্দি বাকিবুর রহমান রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত। তাঁকে চালকলের বরাত দিল না রাজ্য। রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে যার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলছে। যাকে ইডি গ্রেফতার করেছে। তার সংস্থাকে কীভাবে বরাত দেওয়া সম্ভব ?

এই সব প্রশ্নেই রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বাকিবুর রহমানের চালকলকে বরাত না দেওয়ার পক্ষে সওয়াল রাজ্যের। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয় প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ঘনিষ্ঠ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান।

গ্রেফতারির পরে নতুন ঘটনা সামনে আসে। রেশন দুর্নীতিতেও বাকিবুরের নাম জড়ায়। দুর্নীতির অন্যতম মাথা বাকিবুর। তাকে ঘিরে রেশন দুর্নীতি ডালপালা মেলেছে। দাবি করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। এই ভিত্তিতে বাকিবুরের কোম্পানিকে চালের বরাত দেওয়া বন্ধ করে দেয় রাজ্য। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বাকিবুরের ভাই সইদুল রহমান ও এনপিজি রাইস মিল।

মামলায় চালের বরাত না দেওয়ার পেছনে রাজ্য আরও যুক্তি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, বাকিবুরের অন্তত ১০০ কোটির সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। নামে, বেনামে, এবং আত্মীয়দের নামে অন্তত ৯০ টিরও বেশি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। অন্তত ৬ টি সংস্থায় শেয়ার রয়েছে বাকিবুরের। সেই শেয়ার মিলিয়েই বাকিবুরের সম্পত্তি প্রায় ৫০ কোটির বেশি বলে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

নিউ টাউন, রাজারহাট, পার্কস্ট্রিটে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। এই বাকিবুরই রেশন দুর্নীতি মামলার অন্যতম মাথা বলছে ইডি। একাধিক হোটেল, পানশালা এবং বিদেশেও তার সম্পত্তি রয়েছে। মামলা বিচারাধীন হলেও এসব তথ্য সামনে এসেছে৷ এবার বাকিবুর ও তার সংস্থাকে চালের বরাত দেওয়া হয়। তাহলে রাজ্যের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠবে।

যদিও মামলাকারী ও রাইস মিল সংস্থার থেকে বলা হয়েছে, একাধিক ডিরেক্টর রয়েছে। তাঁদের কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। বাকিবুর রহমান শুধু কোম্পানির একজন ডিরেক্টর। যারা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধেও কোনও অভিযোগ নেই।

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আইন অনুযায়ী যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকে, তাহলে কেন বরাত দেওয়া হবে না? এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এদিন সব পক্ষের বক্তব্য শুনে রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+