মমতার ভর্ৎসনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদক্ষেপ, সাসপেন্ড বাগুইআটি থানার ওসি
মমতার ভর্ৎসনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদক্ষেপ, সাসপেন্ড বাগুইআটি থানার ওসি
জোড়া খুনে অবশেষে সাসপেন্ড করা হল বাগুইআটি থানার ওসি কল্লোল ঘোষকে। বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে আইসির কর্তব্যে গাফিলতি নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিজি, এডিজিকে এই নিয়ে তিনি তীব্র ভর্ৎসনা করেছিলেন তিনি। তারপরেই সাসপেন্ড করা হয় বাগুইআটি থানার ওসি কল্লোল ঘোষকে।

সাসপেন্ড ওসি
বাগুইআটি থানার ওসিকে সাসপেন্ড করা হল। নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকের পরেই সাসপেন্ড করা হল বাগুইআটি থানার ওসি কল্লোল ঘোষকে। আগে তাঁতে ক্লোজ করা হয়েছিল। বাগুইআটি জোড়া খুনের কাণ্ডে চরম গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ১২ দিন দেহ মর্গে পড়ে থাকার পর জানতে পারে পুলিশ যে নিখোঁজ দুই কিশোর খুন হয়েছে। গতকাল থেকেই এই িনয়ে তুমুল বিক্ষোভ চলছিল। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা।

তীব্র ভর্ৎসনা মমতার
বাগুইআটিকাণ্ডে পুলিশের কর্তব্যে গাফিলতি ছিল। সেটা এক প্রকার প্রকাশ্যে স্বীকার করে নিয়েছেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ এই ঘটনায়। তারপরেই নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজিকেএই নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করেন মমতা। তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন কেন সাসপেন্ড করা হবে না আইসিকে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাসপেন্ড করা হয় বাগুইআটি থানার আইসিকে। মুখ্যমন্ত্রী এদিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এবং দোষীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

সিবিআই তদন্তের দাবি
এদিকে সাসপেন্ড করার পরে শুভেন্দু অধিকারী সিবিআই তদন্তের দাবি জািনয়েছেন। তিিন অভিযোগ করেছেন সিআইডি তদন্তের কথা বলে আইকে আড়াল করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জািনয়েছেন তিনি। রাজ্য পুলিশকে দিয়ে তদন্ত করালে হবে না। তার জন্য দুই কিশোরের পরিবারকে আদালতে যেতে বলেছেন তিনি। প্রয়োজনে বিজেপি তাঁদের সাহায্য করবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাগুইআটি থানার সামনে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ নামাতে হয়।

ভাড়াটে খুনি দিয়ে খুন
বাগুইআটি জোড়া খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। ভাড়াটে খুনি দিয়ে খুন করা হয়েছিল দুই কিশোরকে। আবার আরেকটি তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। যেখানে বলা হচ্ছে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীর স্ত্রীর সঙ্গ অভিষেক এবং অতনু দুজনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেটা জানতে পেরেই তাঁদের খুনের ছক কষেছিল সত্যেন্দ্র। দেহ উদ্ধারের ১২ দিন পর পুলিশ পরিবারের লোকেদের জানায় দুই কিশোরের খুন হওয়ার কথা।












Click it and Unblock the Notifications