রাজ্যের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে হাইকোর্টে আয়ুষ চিকিৎসকরা
বছরের পর বছর ধরে সামান্য টাকায় চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েও স্থায়ীকরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রাজ্যের প্রায় ৬০০ আয়ুষ চিকিৎসকরা।
বছরের পর বছর ধরে সামান্য টাকায় চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েও স্থায়ীকরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রাজ্যের প্রায় ৬০০ আয়ুষ চিকিৎসকরা। এবার স্থায়ীকরণের আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ১০ জন আয়ুষ ডাক্তার। চলতি সপ্তাহে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার মামলা দায়েরের পর মামলাকারীর আইনজীবী সমিত ভঞ্জ জানান, রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, বিভিন্ন জেলাতে পঞ্চায়েত এবং জেলা পরিষদে বছরের পর বছর ধরে যারা মূলত হোমিওপ্যাথি, আয়ুর্বেদিক, ইউনানী, যোগার বিষয়ে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন আয়ুষ ডাক্তাররা। বর্তমানে তারা দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা হিসেবে বেতন পান। এই পর্যন্ত রাজ্য সরকারের কোন প্রকল্পের আওতায় তারা নেই। অবসরকালীন ভাতা তাদের জোটে না। তবুও তারা মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছেন।
আইনজীবী আরও জানান, আয়ুষ ডাক্তারদের জন্য ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েট অথবা পোস্ট গ্রাজুয়েট আবশ্যিক ছিল। ২০১২ সাল থেকেই চলে আসছিল কিন্তু ২০১৯ র ২৩ নভেম্বর রাজ্য সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, 40 বছর বয়স পর্যন্ত ব্যক্তিরাই আয়ুশের চিকিৎসকের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই আয়ুশের চিকিৎসকরা সরকার বেতনভুক্ত হবেন এবং অবসরকালীন ভাতা ছাড়াও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আছে সমস্ত তাই পাবেন এই আয়ুশের চিকিৎসকরা। রাজ্যের এই বিজ্ঞপ্তিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে রাজ্যের কর্মরত আয়ুষ ডাক্তাররা। ওই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে চিকিৎসক মনোজ কুমার দত্ত, শান্তনু সেন, আনসারুল হক ১০ জন চিকিৎসক মামলা দায়ের করেন।
আইনজীবীর দাবি, বছরের পর বছর যারা পরিষেবা দিয়ে আসছে সরকার তাদের কোনো সুযোগ না দিয়েই সরাসরি এই বিজ্ঞপ্তি জারি করে ২৮১ জনকে নিয়োগের কথা জানিয়েছে। যাতে এদের সঙ্গে বঞ্চনা করা হচ্ছে বলে দাবি আইনজীবীর। সরকার এদের সঙ্গে এরকম ভাবে দ্বিচারিতা করতে পারেননা বলে অভিযোগ পুরনো আয়ুশ চিকিৎসকদের। যাদের নিয়োগ করা হচ্ছে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা যা চাওয়া হয়েছে তা পুরনো আইস চিকিৎসকদের একই শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে তাহলে কেন নতুন করে সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানালো যে স্থায়ী আইছে চিকিৎসক নেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications