কলকাতায় অগাস্টে সক্রিয় কোভিড কেসের সংখ্যা আশার আলো দেখাচ্ছে
কলকাতায় অ্যাক্টিভ অগাস্ট, প্রথম ১৫ দিনে শহরে সক্রিয় কেসের সংখ্যা বেড়েছে ১৬০টি
রাজ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে শীর্ষে নাম ছিল এই শহর কলকাতার। কিন্তু এবার কিছুটা হলেও স্বস্তি পেতে পারে শহরবাসী। জানা গিয়েছে, অগাস্ট মাসের প্রথম ১৫দিনে মাত্র ১৬০টি কোভিড সক্রিয় কেস বৃদ্ধি পেয়েছে। যা কলকাতার প্রতিবেশি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগণা, উত্তর ২৪ পরগণা ও এমনকী হুগলি জেলা থেকেও কম। বাংলার ২৭,২১৮টি সক্রিয় কেসের মধ্যে কলকাতায় ২৪.২% সক্রিয় কেস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সক্রিয় কেস কমলেও বেড়েছে মোট আক্রান্তের সংখ্যা
১ অগাস্ট কলকাতায় কোভিড সক্রিয় কেসের সংখ্যা ছিল ৬,৪৮৫ এবং ১৫ অগাস্ট তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬,৬৪৫-এ। বিশেষজ্ঞরা জানান, সক্রিয় কেসগুলি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে কতজন রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজন ও কতজন রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এটার সঙ্গে রোগীর চিকিৎসা ও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া বা মৃত্যুর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। কলকাতার সক্রিয় কোভিড কেস যেখানে ১ থেকে ১৫ অগাস্টের মধ্যে মাত্র ১৬০টি বৃদ্ধি পেয়েছে, ওই একই সময়ে মোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে ৯,৪০৩টি।

বিভিন্ন জেলার পরিসংখ্যান
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অগাস্টের প্রথম ১৫দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে ৭৬৪টি, উত্তর ২৪ পরগণায় ৫৩৮টি ও হুগলিতে সক্রিয় কেস বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০৬টি। হাওড়াতেও কোভিড সক্রিয় কেসের বৃদ্ধি বেশ গভীর।

অগাস্টের প্রথম দিকে কলকাতায় বৃদ্ধি ১৬০টি সক্রিয় কেস
জুনে কলকাতায় সক্রিয় কেস বৃদ্ধি পায় ৮১২টি ও রাজ্যে করোনা সক্রিয় কেস বৃদ্ধি পেয়েছে ২,৬৪০টি। কলকাতা এককভাবে তৃতীয়বার সক্রিয় কেসে রিপোর্ট করেছে। জুলাইতে রাজ্যে সক্রিয় কেসের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছিল ১৪, ২৭৪টি ও কলকাতায় সেই সময় ৪,৪১৫টি কেস বৃদ্ধি পায়। অগাস্টের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত রাজ্যে যেখানে সক্রিয় কেসের সংখ্যা ৬,৫৮৮টি বৃদ্ধি পায় সেখানে কলকাতায় মাত্র ১৬০টি। মহারাষ্ট্র, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক, তামিলনাড়ু ও বিহারের পরই সক্রিয় কেসের দিক দিয়ে নাম রয়েছে কলকাতার।

সুস্থতার সংখ্যা বেড়েছে
কলকাতায় সক্রিয় কেসের সংখ্যা নিম্নগামী হওয়ার কারণ হল হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা বৃদ্ধি। ১ থেকে ১৫ অগাস্টের মধ্যে কলকাতায় হাসপাতাল থেকে মোট ৮,৯৬৮ জন রোগী ছাড়া পেয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে শহরে কোভিড-১৯-এ মৃত্যু হয়েছে ২৭৮ জনের। ফর্টিস হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ইন্টারনাল মেডিসিনের বাসব বিজয় সরকার বলেন, ‘এই ভাইরাসের প্রকৃতি অনুযায়ী শহরে বাড়তে থাকা আক্রান্ত ও ভবিষ্যতেও যে রোগীর সংখ্যা বাড়বে এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আশার কথা হল শহরে মৃত্যুর হার ও আক্রান্তের বৃদ্ধি অনেকটাই কমেছে বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে। তার কারণ মানুষ সঠিকভাবে হাসপাতালের যত্ন পাচ্ছেন।'












Click it and Unblock the Notifications