এসএসকেএম হাসপাতালে হামলা, লাঠি, হকি স্টিক নিয়ে চলল তাণ্ডব
এবার কলকাতার নামকরা আরও একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে তাণ্ডব চালানো হল। ট্রমা কেয়ার সেন্টারে চলল হামলা। মাথা ফাটল রোগীর পরিবারের সদস্যের। আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার পর জুনিয়র চিকিৎসকরা নিজেদের সুরক্ষার দাবিতে অনড় রয়েছেন। দুর্গাপুজোর নিরঞ্জনের দিনেই আবার সরকারি হাসপাতালে তাণ্ডবের ঘটনা দেখা গেল।
রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে এসএসকেএম। সেই সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেই এবার তাণ্ডব চলল। বাইকে করে লোকজন আসে। হকি স্টিক, লাঠি নিয়ে ঢুকে পড়ে। ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায়।

দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের জেরে এই ঘটনা। এমনই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। হাসপাতালের ভিতর লাঠি হকি স্টিক নিয়ে ঢুকে পড়ে একটা দল। বাইকে করে আসে তারা। ট্রমা কেয়ার সেন্টারে গিয়ে তারা হামলা চালায়৷ বেপরোয়া মারধর করা হয়৷ তার জেরে এক ব্যক্তির মাথা ফেটেছে বলে খবর। ওই ব্যক্তি রোগীর বাড়ির আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে৷
কিন্তু কীভাবে ঘটল এই ঘটনা? পুলিশ কী করছিল? কেন তাদের শুরুতেই আটকানো হল না? সেই সব প্রশ্ন উঠেছে। নিরাপত্তা কর্মীরা তেমন পদক্ষেপ করেনি। এই মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, লাঠি, হকি স্টিক নিয়ে ট্রমা কেয়ারের ভিতরে চলে যায়। হাতের সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই মেরেছে।
ট্রমা কেয়ার সেন্টারের ভিতর কোনও পুলিশ মোতায়েন ছিল না। এমন মারাত্মক কথা জানা গিয়েছে। আরজি কর হাসপাতালে তরুণী জুনিয়র চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। সাগর দত্ত হাসপাতালেও চিকিৎসক ও নার্সের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
নিরাপত্তা চেয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন করছেন। হাসপাতালের ভিতর পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা প্রয়োজন। এই দাবি তোলা হচ্ছে। তারপরেও সরকারি হাসপাতালে পুলিশ নিরাপত্তার এমন অভাব চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। এসএসকেএম হাসপাতালের মতো জায়গায় পুলিশে নিরাপত্তা থাকে না! কেন ট্রমা কেয়ার সেন্টারে পুলিশ ছিল না? সেই প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে।
ঘটনায় চিকিৎসকরা আতঙ্কিত। নার্সরাও ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছেন। সরকারের কেন টনক নড়ছে না? সেই প্রশ্ন উঠেছে। কারা এই হামলা চালাল? সেই সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications