বন্ধ শহরের একাধিক স্কুল, নবান্ন অভিযান ঘিরে শহর কলকাতা নিরাপত্তার ঘেরাটোপে
আরজি কর কাণ্ডে দোষীদের শাস্তির দাবি চেয়ে আজ নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। কলকাতা এবং হাওড়ার দিক থেকে মিছিল করে নবান্ন অভিযান করবেন ছাত্ররা। পুলিশ যদিও এই অভিযানের অনুমোদন দেয়নি। গতকাল সাংবাদিক বৈঠক করেই এই মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নবান্ন অভিযানে অশান্তির আশঙ্কা করে মঙ্গলবার শহরের বেশ কিছু স্কুলে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। মধ্য কলকাতার ডন বস্কো, লা মার্টিনিয়া, জিডি বিড়লা , ক্যালকাটা বয়েজ, ক্যালকাটা গার্লস সহ একাধিক স্কুলে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও তাড়াতাড়ি ছুটি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। নবান্নগামী সব রাস্তা মুড়ে ফেলা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটপে। কলকাল কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করা হয়েছিল যে এই নবান্ন অভিযানের নাম করে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করা হবে। বাইরে থেকে তার জন্য লোক নিয়ে আসা হয়েছে। সেকারণেই এই অভিযানের কোনও অনুমতি কলকাতা পুলিশ দেয়নি বলে জানিয়ে দিয়েছে।
ইতিমধ্যেই নবান্নকে ঘিরে ফেলা হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। ৬ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে গোটা শহরে। হাওড়া পুলিশকেও সতর্ক করা হয়েছে। হাওড়ার দিকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যাতে সেই দিক দিয়েও আন্দোলনকারীরা হাওড়ার দিকে থেকে নবান্নে ঢুকতে না পারেন সেদিকে সতর্ক করা হয়েছে। ১৯টি পয়েন্টে ব্যারিকেড করা হয়েছে। সকাল সাতটা থেকেই পুলিশি তৎপরতা শুরু হয় গিয়েছে রেডরোড চত্ত্বরে। ২৬ জন ডিসি মর্যাদার পুলিশ অফিসার মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে আজ নিট ইউজিসি পরীক্ষা। তার জন্য পরীক্ষার্থীদের বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় ২ হাজার ১০০ পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোনেও চালানো হচ্ছে নজরদারি। এছাড়াও জলকামান, টিয়ার গ্যাসের শেল মজুত রাখা হয়েছে। বিদ্যাসাগর সেতু একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে্। হাওড়া এবং কলকাতার বিভিন্ন বাজারে খুচরো এবং পাইকারি বিক্রেতাদেরও সতর্ক করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications