TMC: অনুব্রত-কাজলকে একসঙ্গে বসিয়ে কড়কে দিল দল, কড়া নির্দেশ বক্সির
তৃণমূল কংগ্রেস ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বীরভূমের দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে তৎপর। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব শনিবার অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখকে মতানৈক্য ও ব্যক্তিগত স্বার্থ সরিয়ে রেখে একসঙ্গে দলের জন্য কাজ করার বার্তা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে খবর, দুজনেই একসঙ্গে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সংঘাত কমানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দল স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাঁদের সংঘাতের প্রভাব দলের ফলাফলে পড়লে দুজনকেই দলের কোপে পড়তে হবে।

এদিন ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি একটি দলীয় বৈঠক করেন। এই বৈঠকে দলের সমস্ত জেলার সভাপতি, জেলা চেয়ারম্যান ও বীরভূম এবং উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্যদের ডাকা হয়েছিল। এছাড়াও, দলের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রীকেও ডাকা হয়। মূল বৈঠকের আগে অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখকে নিয়ে একটি বৈঠক করেন সুব্রত বক্সি। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে জেলার দুই নেতাকেই কড়া বার্তা দিয়েছে দল।
দলীয় সূত্রে খবর, এই দিনের বৈঠকে সুব্রত বক্সি কড়া মেজাজে কাজল ও কেষ্টকে ধমক দেন এবং তাঁদের মধ্যে সংঘাত কমানোর বার্তা দেন। দলের স্পষ্ট কথা, পারস্পরিক দূরত্বের কারণে সংগঠন যেন কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সংগঠন বা নির্বাচনের ফলাফলে দুজনের সংঘাতের প্রভাব পড়লে উভয়কেই দলের রোষানলে পড়তে হবে। দুই নেতাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই বৈঠক নিয়ে তাঁরা সংবাদমাধ্যমে মুখও খুলতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, জেলমুক্তির পরে পুলিশকে গালি দিয়ে ফের বিতর্কে ফেঁসেছেন কেষ্ট মণ্ডল। সম্প্রতি এক পুলিশ আধিকারিক ও তাঁর পরিবারকে ফোনে গালিগালাজ ও অশ্লীল হুমকি দেওয়ার একটি অডিও ভাইরাল হওয়ার পর অনুব্রত ফের বিপদে পড়েছেন। জেলমুক্তির পরে এখন তিনি জেলা সবাপতি নন বরং শুধুমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত কোর কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। এর মধ্যেই তাঁকে ও কাজল শেখকে কলকাতায় ডেকে পাঠানো হয়। তারপরই এদিনের বৈঠকে কড়কে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications