অনশন মঞ্চ থেকে আরজি করে স্থানান্তর অনিকেত মাহাতোকে, আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি
অনিকেত মাহাতোর স্বাস্থ্যের অবনতি। তিনি আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি৷ আর তাই নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোড়৷ পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আরও বড় আন্দোলনের নকশা কি প্রস্তুত হচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে?
গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছিল জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতোর। সিনিয়র চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করেন। রাতে স্বাস্থ্যভবন থেকে চিকিৎসকরা এসে অনশনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। মোট সাত জন আমরণ অনশন করছেন। অনিকেত সহ প্রত্যেকের শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে।

রাতে অনিকেত মাহাতোর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। গভীর রাতে অ্যাম্বুল্যান্স আসে ধর্নামঞ্চের সামনে। অনিকেতকে নিয়ে যাওয়া হয় আরজি কর হাসপাতালে। সিসিইউতে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। একাধিক পরীক্ষা করানো হয় দ্রুত। এরপর ফ্লুইডও দেওয়া শুরু হয়। শরীরে জল ও অন্যান্য খনিজের পরিমাণ অনেকটাই নেমে গিয়েছে বলে খবর। প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেওয়া গিয়েছে। এই কথা জানা গিয়েছে।
প্রাথমিক অসুস্থতা কাটলে অনিকেত কি আবার অনশন মঞ্চে ফিরবেন? সেই প্রশ্ন থাকছে। আন্দোলনকারীরা জানাচ্ছেন, অনিকেত মাহাতো অসুস্থ হলেও তাঁর মনোবল অটুট রয়েছে। সেখানে এত টুকু চিড় ধরেনি। আরও ছয় অনশনকারীরও শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। তাঁরাও মানসিক জোরে অটুট।
নয় জন আন্দোলনকারী চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে। আদালত জামিন নাকচ করে তাদের পুলিশ হেফাজত দিয়েছে। তাই নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যে। তাঁরা কি আরও বড় আন্দোলনের ভাবনাচিন্তা করছেন? সিনিয়র চিকিৎসকরাও কি এবার কর্মবিরতিতে যাবেন? সেই সব প্রশ্ন উঠছে।
স্বাস্থ্য ভবন ও নবান্নের কাছেও অনশনকারীদের তথ্য পৌঁছাচ্ছে। কিন্তু সরকারের থেকে কোনও পজিটিভ বার্তা আসছে না। এই কথা জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। আর কত দিন এভাবে দাবি না মেনে সরকার মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারে? সেই প্রশ্নও তুলছেন আন্দোলনকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications